সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ইভ্যালির ৭টি গাড়ি নিলামে

 দেশের আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির সাতটি o গাড়ি নিলামে তোলা হচ্ছে। ইভ্যালির ব্যবস্থাপনায় হাইকোর্ট গঠিত বোর্ডের সদস্য ও প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাহবুব কবীর আজ বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নিলাম আহ্বান করেছেন। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি গাড়িগুলোর নিলাম হবে। নিলাম বিজ্ঞপ্তিতে দেখা গেছে, ইভ্যালির মালিকানাধীন একটি রেঞ্জ রোভার, একটি টয়োটা প্রিউস, একটি টয়োটা সি এইচ আর, দুটি টয়োটা এক্সিও, একটি হোন্ডা ভেজেল ও একটি টয়োটা মাইক্রোবাস আপাতত নিলামে তোলা হয়েছে। এসব গাড়ির ন্যূনতম নিলাম মূল্যও উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। ২০২০ সালে তৈরি রেঞ্জ রোভারের ন্যূনতম নিলাম মূল্য এক কোটি ৬০ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া টয়োটা প্রিউসের ন্যূনতম দর ১৩ লাখ ৫০ হাজার, টয়োটা সিএইচআর দর ১৮ লাখ, টয়োটা এক্সিওর প্রতিটির দর ৯ লাখ ১৮ হাজার, হোন্ডা ভেজেলের দর ১৬ লাখ ও টয়োটা মাইক্রোবাসের ন্যূনতম দর ১২ লাখ টাকা ধরা হয়েছে। আগ্রহী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ধানমন্ডির উইন্সকোর্ট অফিস থেকে এ নিলামের নিবন্ধন কার্ড নিতে পারবেন। ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নিলামের দরপত্র জমা দেওয়া যাবে। ৫ ...

হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিরাময়ে বিজ্ঞানসম্মত নতুন চিকিৎসা


বিশ্বের এক নম্বর মারণব্যাধি হৃদরোগ। কোনোরকম পূর্বাভাস ছাড়াই যেকোনো সময় এটি কেড়ে নিতে পারে মানুষের জীবন। বিশ্বের মোট মৃত্যুর অর্ধেকই হয় হার্টের রোগ ও স্ট্রোকে। প্রতিবছর লাখ লাখ লোকের হার্ট অ্যাটাক হচ্ছে। এদের মধ্যে ২৫ ভাগের মৃত্যু হয় হাসপাতালে পৌঁছার আগেই। হার্ট অ্যাটাক হলেও অনেক সময় বেঁচে থাকতে হয় নানা অক্ষমতা আর হঠাৎ মৃত্যুর ভয় নিয়ে। লিখেছেন ডা: গোবিন্দ চন্দ্র দাস পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, আমেরিকায় গড়ে প্রতিদিন দুই হাজার ৬০০ লোক মারা যাচ্ছে হৃদরোগের শিকার হয়ে। সেখানে হৃদরোগীর সংখ্যা ষাট মিলিয়ন। হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের পর বহুসংখ্যক মানুষ প্রতিনিয়ত এই ব্যাধির সঙ্গে সংগ্রাম করে চলেছে। স্ট্রোকের ঝুঁঁকির ভেতর বসবাস করছে অগণিত মানুষ। পাশাপাশি জীবনযাপনে সতর্কতা ও প্রয়োজনীয় পরিবর্তন এনে বহু লোক মৃত্যুঝুঁঁকি কমিয়ে এনেছে। হার্ট অ্যাটাককে ভূমিকম্প হিসেবে আখ্যায়িত করা যায়। মানবদেহে এই ‘ভূমিকম্প’ আসতে অনেক বছর লেগে যেতে পারে। কিন্তু এই ভূমিকম্প হয় কোনো পূর্বাভাস না দিয়েই। পৃথিবীর ভূমিকম্প ঠেকানো যায় না, কিন্তু মানবদেহের ‘হৃদকম্প’ বা হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করা যায়। বাংলাদেশে ৩০ বছর বয়সের পর হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হচ্ছে এমন লোকের সংখ্যা কম নয়। ৪০-৪৫ ঊর্ধ্ব ব্যক্তিদের হৃদরোগ তো অজানা নয়। ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ও রিসার্চ ইনস্টিটিউট সম্প্রতি জানিয়েছেÑ বাংলাদেশে প্রতি ১০ জনে একজনের হার্টের সমস্যা আছে। এদের সমস্যা বয়স বাড়ার সাথে সাথে আরো জটিল হয়। তারা আরো জানায়, বাংলাদেশে প্রতি বছর নতুন করে ১৫-২০ শতাংশ জনগোষ্ঠী উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হচ্ছে। এ দেশে স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাব যতই থাকুক না কেন, রোগভীতিও এ থেকে মৃত্যুভয় কিন্তু কম নয়। বাংলাদেশে হৃদরোগ বাড়ার কারণ : বর্তমানে আমাদের জীবন ধারার পশ্চিমা ধাঁচে পরিবর্তন হচ্ছে। ফাস্টফুডের সাথে দ্রুততালে বাড়ছে ফ্যাট খাওয়ার প্রবণতা। কমেছে শাকসবজি, ফলমূল খাওয়ার অভ্যাস ও টাটকা খাবার খাওয়ার ঝোঁক। জীবনের গতি বাড়তে বাড়তে জেটগতির জীবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে এক শ্রেণীর মানুষ। ফলে ইঁদুর দৌড়ের জীবনে বাড়ছে টেনশন, মানসিক চাপÑ মন হয়ে পড়ছে ক্ষতবিক্ষত, হৃদরোগ বেড়ে চলেছে এভাবে। অবিশ্বাস্যভাবে বেড়ে চলেছে ধূমপান। এর বিপক্ষে সচেতনতা সৃষ্টি ও মোটিভেশনও যেন রুখতে পারছে না এর অগ্রযাত্রাকে। ধূমপান এখন আর শুধু বড়দের সঙ্গী নয়, ছোটদেরও বন্ধু। অতীতে বাঙালি ছিল কর্মমুখর, পরিশ্রম নির্ভরতায় চলছিল জীবন। জীবনযাপনের এ পদ্ধতি থেকে সরে এসেছে মানুষ। গ্রামের এক শ্রেণীর মানুষ এখন মোটরসাইকেলে চড়েন বেশি, সাইকেলে চড়েন কম, হাঁটেন আরো কম। শহরাঞ্চলে লাফ দিয়ে বাড়ছে গাড়িচড়া, বসে বসে কাজ করা ও আয়েশী জীবনযাপনের মানসিকতা। কমছে শরীরের ব্যায়াম, বাড়ছে স্থূলতা। ব্যায়াম মানে তো হার্টরেট উঠছে ১৪০-এ আর ঘাম ঝরবে টপটপ করে। প্রচলিত চিকিৎসা : রক্তনালীতে ব্লক ধরা পড়লে অ্যানজিওপ্লাস্টি বা করোনারি বাইপাস সার্জারি করা হয়। উভয় পদ্ধতি বেশ খরচসাপেক্ষ এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াযুক্ত। দেখা যায় কয়েক বছর পর জীবনীশক্তি অর্ধেকে নেমে আসে। যে হারে হৃদরোগের সংখ্যা বাড়ছে সে হারে বাড়ছে না নির্ভরযোগ্য অ্যানজিওপ্লাস্টি ও বাইপাস সার্জারির সেন্টারের সংখ্যা। এভাবে বাড়তে থাকলে আগামীতে হৃদরোগ চিকিৎসার হাসপাতাল ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ কয়েকগুণ বেশি প্রয়োজন হবে। যা রাতারাতি বাড়ানো সম্ভব নয়। তাই চিকিৎসার পাশাপাশি প্রয়োজন প্রতিরোধের ওপর গুরুত্ব দেয়া, তবে এ রোগীরা চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চললে ও নিয়মিত ওষুধ খেলে এর জটিলতা বহুলাংশে এড়ানো সম্ভব। খাদ্যের মাধ্যমে কোলেস্টেরল ও চর্বি গ্রহণের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হলে এটা একদিকে যেমন নতুন ব্লকেজ সৃষ্টি রোধ করবে, অন্যদিকে তেমনি ধমনিতে জমে থাকা মেদকেও অপসারণ করবে। চিন্তার বিষয় হলো হৃদরোগ চিকিৎসায় আধুনিক নিরাময় প্রযুক্তি, যেমন বাইপাস সার্জারি বা এনজিওপ্লাস্টি বিফলে যায় শুধু নতুন নতুন ব্লকেজ সৃষ্টি এবং অপারেশনের পর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার কারণেই। বিজ্ঞান থেমে থাকেনি। হৃদযন্ত্রের ধমনিতে ব্লকেজ সৃষ্টির কারণ অনুসন্ধান করা হয়েছে। দেখা গেছে, ব্লকেজ সৃষ্টি যে কারণে হয় সেই সমস্যার সমাধান না করেই অস্ত্রোপচারের চিকিৎসা দেয়া হয়েছিল। এই সূত্র ধরেই নতুন ধরনের চিকিৎসার পথ খোঁজা হতে থাকে। গবেষণা করেই হৃদরোগ চিকিৎসার ক্ষেত্রে এই সর্বসাম্প্রতিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত মুক্তির পথ মিলেছে। কী সেই মুক্তির পথ? শুধু নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন আর কিছু নিয়ম অনুসরণ করলেই কঠিনতর হৃদরোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। এটাকেই বলা হচ্ছে করোনারি আর্টারি ডিজিজ প্রিভেনশন অ্যান্ড রিগ্রেশন প্রোগ্রাম বা সংক্ষেপে ‘সিএডিপিআর’। কোনো ওষুধ গ্রহণ ছাড়াই কেবল খাদ্যাভ্যাস ও জীবনাচরণে পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রণ এনে হৃদরোগ সম্পূর্ণভাবে প্রতিরোধ এবং নিরাময় করা সম্ভব। চিকিৎসা যখন ওষুধ ও অস্ত্রোপচার ছাড়া : ১৯৮৮ সালে ডা: অরনিসের অবদানের কথা বিশ্ববাসী জানতে পারেন, তিনি করোনারি আর্টারি রোগে আক্রান্ত কিন্তু বাইপাস সার্জারি করতে রাজি হচ্ছেন না এমন রোগীদের দু’টি গ্রুপে ভাগ করেন। প্রথম গ্রুপের রোগীদের চিকিৎসা শুরু করেন কম ফ্যাট ও বেশি আঁশযুক্ত খাবার দিয়ে। এ ছাড়া স্ট্রেসমুক্ত থাকার পদ্ধতি, প্রাণায়াম-যোগব্যায়াম ও মেডিটেশন করার উপদেশ ও দীক্ষা দেন। অপর গ্রুপকে দেয়া হলো হৃদরোগে সচরাচর ব্যবহৃত ওষুধ। এ দুই গ্রুপের রোগীদেরই বিশেষ তত্ত্বাবধানে রাখা হলো। কিছুদিন পর পর রোগীর অগ্রগতি পরীক্ষা-নীরিক্ষা করা হলো। পাওয়া গেল অদ্ভুত ফল। ডা: অরনিসের আবিষ্কৃৃত পদ্ধতি যারা অনুসরণ করেছেন, তাদের ধমনিতে জমে থাকা চর্বি বা কোলেস্টেরল পরিষ্কার হয়ে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে তারা ভীতিকর বুকব্যথা থেকে মুক্তি পান এবং হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা কমে আসে। অপর দিকে, দ্বিতীয় দলের রোগীদের অবস্থা আগের অবস্থায় থেকে গেল। অর্থাৎ অবস্থার কোনো উন্নতি হলো না। কারো কারো ক্ষেত্রে অবস্থার অবনতি হলো। ভারতের গবেষণা : ভারতের খ্যাতনামা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরাও এই পদ্ধতি অনুসরণ করে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছেন। বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা : ৩৮ বছরের এক বাংলাদেশী। গত ৩ মাস আগে করা অ্যানজিওগ্রামে তার লেফট ইন্টেরিয়র ডিসেন্ডিং আর্টারিতে ৮৫-৯০ শতাংশ ব্লক ধরা পড়ে। ডাক্তাররা তাকে তাৎক্ষণিক অ্যানজিওপ্লাস্টি করার পরামর্শ দেন। কিন্তু টাকার অভাবে তিনি তা করতে পারেননি। তাকে প্রাণায়াম ও মেডিটেশন পদ্ধতি চালিয়ে যেতে বলা হলে বিগত আড়াই-তিন মাস থেকে এখন আগের চেয়ে অনেক ভালো আছেন। যেখানে তার আগে আধা মাইল হাঁটতে কষ্ট হতো, এখন তিনি কষ্ট ছাড়াই দুই-তিন মাইল পর্যন্ত হাঁটতে পারেন। তিনি এরই মধ্যে ভারতের এক হৃদরোগ বিশেষজ্ঞকে দেখিয়ে এসেছেন। তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার বর্তমান অবস্থা দেখে তাকে আগের পদ্ধতিগুলো মেনে চলার পরামর্শ দেন এবং আপাতত অ্যানজিওপ্লাস্টি করার প্রয়োজন নেই বলে মত দেন। এই নতুন চিকিৎসা পদ্ধতিতে অ্যালোপ্যাথিক ওষুধকে একেবারে বাদ দেয়া হয় না। পাশাপাশি ওষুধ সেবন চলতে থাকে। তবে ধীরে ধীরে রোগীর অবস্থার উন্নতি হলে তখন এ ওষুধ আর চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। এই নবধারার চিকিৎসা পদ্ধতিতে খাদ্যসূচিতে পরিবর্তন আনা কি খুব জরুরি। সেই শিক্ষাই দেয়া হয় এই প্রোগ্রামে; আরো শেখানো হয় যোগব্যায়াম ও মেডিটেশন। সামগ্রিক চাপ মোকাবেলা করার বিশেষ ট্রেনিংও এর অন্তর্ভুক্ত। এর জন্য পাঁচ দিনের একটি কোর্সের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এটা বিস্ময় জাগায় যে মাত্র কয়েক সপ্তাহ খাদ্যগ্রহণে পরিবর্তন এনে, নিয়মতান্ত্রিক ব্যায়াম করে, চাপমুক্তির কৌশল প্রয়োগের মাধ্যমে এবং মেডিটেশন চর্চা করে বুকের ব্যথা সম্পূর্ণভাবে দূরীভূত করা সম্ভব। এক-দু’বছরের চেষ্টায় ধমনির ব্লকেজও অপসৃত হয়ে থাকে। ‘সিএডি পিআর’ থেকে কারা হবেন উপকৃত ০১. যার একবার বা একাধিকবার হার্ট অ্যাটাক হয়ে গেছে। ০২. নিকট ভবিষ্যতে যিনি এনজিওপ্লাস্টির পরিকল্পনা করেছেন। ০৩. নিকট ভবিষ্যতে যিনি বাইপাস সার্জারির পরিকল্পনা করেছেন। ০৪. যিনি ইতোমধ্যে এনজিওপ্লাস্টি বাইপাস সার্জারি করেছেন। ০৫. এনজিওপ্লাস্টি বাইপাস সার্জারির পর যার পুনরায় ব্লকেজ ধরা পড়েছে। ০৬. যিনি এনজিওপ্লাস্টি বা বাইপাস সার্জারির জন্য অনুপযুক্ত বলে বিবেচিত হয়েছেন। ০৭. যিনি উচ্চ রক্তচাপে (হাইপারটেনশন) ভুগছেন। ০৮. যিনি অসম্ভব মুটিয়ে গেছেন। ০৯. যার হৃদরোগের দীর্ঘ পারিবারিক ইতিহাস রয়েছে। ১০. যার অস্বাভাবিক মাত্রায় রক্তে কোলেস্টেরল বিদ্যমান। ১১. যিনি ডায়াবেটিসে ভুগছেন, রক্তে শর্করার মাত্রা উঁচু। ১২. সেইসব কর্মজীবী যাদের অত্যন্ত চাপের মধ্যে কাজ করতে হয়। বেশির ভাগ ডাক্তার মনে করেন, করোনারি আর্টারি একবার ব্লক হতে শুরু করলে এর গতি আর পাল্টানো যায় না। এর একমাত্র চিকিৎসা অ্যানজিওপ্লাস্টি বা বাইপাস সার্জারি। কিন্তু উপরোক্ত গবেষণায় দেখা গেছে, জীবনধারা পরিবর্তন করে বিশেষ করে খাওয়ার পরিবর্তন, সুচিন্তা, প্রাণায়াম ও মেডিটেশনের মাধ্যমে ব্লক সারানো সম্ভব। আমাদের দেশের লাখ লাখ হৃদরোগী যারা এ রোগের নিরাময়ের জন্য প্রচুর টাকা ব্যয় করে এমনকি অনেকে বাড়িঘর, জমিজমা বিক্রি করে অ্যানজিওপ্লাস্টি বা বাইপাস অপারেশন করেছেন বা অনেকে বিদেশে যাচ্ছেন, আবার অনেকের হৃদরোগ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, তারা উপরিউক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করে সুস্থ ও পরিপূর্ণ জীবন পেতে পারেন। এখনই সময় নিজের জীবনধারায় কিছু নিয়ন্ত্রণ এনে ভবিষ্যৎকে হাতের মুঠোয় পোরার। একবার কষ্ট করে পরিবর্তনের ধারায় এলে পরে আর সেটা কষ্টসাধ্য মনে হবে না। লেখক : অধ্যাপক, ইমুনোলজি বিভাগ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ, ঢাকা। চেম্বার : হলিস্টিক হেলথ কেয়ার সেন্টার, ৫৭/১৫ পান্থপথ, ঢাকা। ফোন : ০১৭১১৫৯৪২২৮

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

চুল পড়া কমাতে পেয়ারা পাতার জাদু

চুল পড়া নাকি স্বাভাবিক একটি ব্যাপার, এমনটাই বিশেষজ্ঞদের মত। তবে তা দিনে ১০০ টা পর্যন্ত। এর চেয়ে বেশিও হলে তা চিন্তার বিষয়। ঘন ঘন এমন চুল ওঠার ফলে চুলের গোছা পাতলা হয়ে যায়। মাথার তালুতে জায়গায় জায়গায় ফাঁকা হয়ে যেতে থাকে। অবহেলা এবং অযত্নের এমনটা হয়ে থাকে। এছাড়াও দূষণ, খাবারের সমস্যা, ঘুম কম হওয়া, দুশ্চিন্তা তো নিত্যদিনের সঙ্গী। এসব কারণেই মূলত অতিরিক্ত চুল পড়ার সমস্যা হয়ে থাকে। চুল ঝরে যাওয়া আসলে একেবারে প্রাকৃতিক একটি প্রক্রিয়া। চুল ঝরে যাবে এবং আবার নতুন চুল গজাবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে অনেকেরই চুল খুব বেশি ঝরে যাচ্ছে। চুল পড়া কমাতে নিয়মিত চুলে তেল ব্যবহার করুন। সেই সঙ্গে ঘরোয়া একটি প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। এতে চুল পড়া বন্ধের পাশাপাশি চুল সুন্দর ও মসৃণ হতে সহায়তা করবে। চুল পড়া বন্ধে পেয়ারা পাতার কার্যকারিতার কথা আমরা সবাই কমবেশি জানি। এটি চুল পড়া বন্ধে খুবই কার্যকরী। তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক কীভাবে ব্যবহার করবেন পেয়ারা পাতা- যা যা লাগবে: এক মুঠো পেয়ারা পাতা, পানি এক লিটার। একটি পাত্রে পানি জ্বাল দিতে দিন। পানি ফুটে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। ফুটে এলে এতে পেয়ারা পাতা দিয়ে দিন। পেয়ারা পাত...

প্রেমের ফাঁ’দে ফে’লে ১০০ নারীর ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল

অনলাইনে নিজেকে সরকারি কর্মকর্তা পরিচয়ে মেয়েদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতেন। একপর্যায়ে নানা ছলনায় ভুলিয়ে তাদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে ভিডিও ধারণ করতেন।  এরপর আপত্তিকর সেসব ছবি পরিবারের কাছে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করেন। এভাবে গত ৮ বছরে প্রায় শতাধিক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ব্ল্যাকমেইল করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়েছেন বরিশালের বেলাল হোসেন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় বেলালকে গ্রেফতারের পর পুলিশ বলছে, চল্লিশোর্ধ্ব নারীদের টার্গেট করতেন বেলাল। বেলালের ফোনে পাওয়া গেছে ৮ হাজার আপত্তিকর ছবির সন্ধান। তার এই প্রতারণা থেকে বাদ যায়নি তার স্বজনরাও। মাস তিনেক আগে রাজধানীর যাত্রাবাড়ির এক নারীর সঙ্গে বরিশালের বেলাল হোসেনের ফেসবুকে পরিচয় হয়। বিয়ের প্রলোভনে ওই নারীর গো’পন ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী নারী। পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গোয়েন্দা মতিঝিল বিভাগ উপকমিশনার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে আমরা সত্যতা পেয়েছি। তার মোবাইলে এবং ইমো, ওয়াটসঅ্যাপে বিভিন্ন আপত্তিকর ছবি পেয়েছি। গত আট বছরে শতাধিক নারীর সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। বেলাল মধ্যবয়সী নার...

আইএফআইসি ব্যাংকে অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি

আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেডে ‘ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার (টিএও)’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেlন। প্রতিষ্ঠানের নাম: আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড পদের নাম: ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার (টিএও) পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয় শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক। তৃতীয় শ্রেণি/বিভাগ গ্রহণযোগ্য নয় অভিজ্ঞতা: প্রযোজ্য নয় দক্ষতা: ব্যবস্থাপনা ও যোগাযোগে দক্ষ হতে হবে বেতন: ২৮,৩৭০-৩৫,৯৯০ টাকা চাকরির ধরন: অস্থায়ী প্রবেশনকাল: ০১ বছর প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ বয়স: ১০ জুলাই ২০২১ তারিখে ৩০ বছর কর্মস্থল: যেকোনো স্থান আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা www.career.ificbankbd.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের শেষ সময়: ১০ জুলাই ২০২১