সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

বিসিএস ক্যাডার লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ইভ্যালির ৭টি গাড়ি নিলামে

 দেশের আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির সাতটি o গাড়ি নিলামে তোলা হচ্ছে। ইভ্যালির ব্যবস্থাপনায় হাইকোর্ট গঠিত বোর্ডের সদস্য ও প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাহবুব কবীর আজ বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নিলাম আহ্বান করেছেন। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি গাড়িগুলোর নিলাম হবে। নিলাম বিজ্ঞপ্তিতে দেখা গেছে, ইভ্যালির মালিকানাধীন একটি রেঞ্জ রোভার, একটি টয়োটা প্রিউস, একটি টয়োটা সি এইচ আর, দুটি টয়োটা এক্সিও, একটি হোন্ডা ভেজেল ও একটি টয়োটা মাইক্রোবাস আপাতত নিলামে তোলা হয়েছে। এসব গাড়ির ন্যূনতম নিলাম মূল্যও উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। ২০২০ সালে তৈরি রেঞ্জ রোভারের ন্যূনতম নিলাম মূল্য এক কোটি ৬০ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া টয়োটা প্রিউসের ন্যূনতম দর ১৩ লাখ ৫০ হাজার, টয়োটা সিএইচআর দর ১৮ লাখ, টয়োটা এক্সিওর প্রতিটির দর ৯ লাখ ১৮ হাজার, হোন্ডা ভেজেলের দর ১৬ লাখ ও টয়োটা মাইক্রোবাসের ন্যূনতম দর ১২ লাখ টাকা ধরা হয়েছে। আগ্রহী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ধানমন্ডির উইন্সকোর্ট অফিস থেকে এ নিলামের নিবন্ধন কার্ড নিতে পারবেন। ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নিলামের দরপত্র জমা দেওয়া যাবে। ৫ ...

৪বার বিসিএসে ফেল করেও, অবজ্ঞা-উপহাস জয় করে কোচিং ছাড়াই বিসিএস ক্যাডার তৃপ্তি!

তৃপ্তি অনার্স পাস করেছেন জাতীয় বিশ্ব;বিদ্যালয়ের অধীনে। এজন্য তাকে অবজ্ঞা ও উপহাস করা হত। জাতীয় বিশ্ববিদ্যা;লয়ে পড়ে কিছুই করা যায় না। তাকে দিয়ে কিছু হবে না। এমন অনেক হতাশা*জনক কথা শুনেও দমে জাননি তৃপ্তি। Master’s করেছেন ঢাকা বিশ্ব’বিদ্যালয় অধিভুক্ত ইডেন মহিলা কলেজ থেকে। স্বপ্নকে জয় কর’তে লেগে থেকে’ছেন। কোচিং ছাড়াই পঞ্চম-বারের চেষ্টায় অবশেষে সফল হয়েছেন তিনি। ৩৮তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে নিয়ো’গের জন্য সুপারিশ;প্রাপ্ত হয়েছেন আলেয়া জাহান তৃপ্তি। জানা গেছে, তৃপ্তির বাড়ি ব্রাহ্মণ;বাড়িয়া পৌর শহরের দাতি’য়ারা এলাকায়। চার ভাই-বোনের মধ্যে তৃপ্তি সবার বড়। বাবা মো. আলমগীর ভূঁইয়া ঢাকায় বে-সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাক’রি করেন। মা আফরোজা খানম গৃহিণী। পরিবারের বড় সন্তান হওয়ায় দায়িত্বটা একটু বেশিই তৃপ্তির। ছোটবেলা থেকে লেখাপড়ার প্রতি ভীষণ মনো;যোগী তৃপ্তির স্বপ্ন ছিল শিক্ষ’ক হওয়ার। পড়ালেখায় তাকে উৎসাহ জুগিয়েছেন বাবা-মা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ থেকে অনার্স এবং ইডেন মহিলা কলেজ থেকে মাস্টার্স পড়া তৃপ্তি শিক্ষা;জীবন শেষ করে শিক্ষ’কতা পেশায় যুক্ত হন। প্রথমে তিনি ব্রাহ্মণ;বাড়িয়ার একটি প্রাইভেট কলেজের প্রভাষক হিসেব...

বিসিএস ক্যাডার পরিচয়ে এক ডজন বিয়ে করলো তরুণী

শাহনুর রহমান সিক্ত নিজেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি নাকি ৩৬তম বিসিএস ক্যাডার। পড়াশোনা করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। এসব পরিচয় দিয়ে ইতোমধ্যে ১২টি বিয়ে করেছেন তিনি। ভালোভাবে ইংরেজিতে কথা বলতে পারেন। সাভারের বাংলাদেশ লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের(বিপিএটিসি) কোয়ার্টারে বড় হয়েছেন তিনি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস তার হাতের নাগালে। এ ক্যাম্পাসের আলো-বাতাস সবই পরিচিত তার। বিয়ে প্রতা’র’ণার ফাঁ’দে ফেলে হা’তিয়ে নিয়েছেন লাখ লাখ টাকা। অথচ অনর্গল ইংরেজিতে কথা বলে যাওয়া কথিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ছাত্রীর পড়াশোনা মাত্র ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত। নিজের নামের সঙ্গে শাহনুর আকতার নামে একজন বিসিএস ক্যাডারের নামের মিল থাকায় ওই পরিচয় দিয়ে বেড়াচ্ছেন শাহনুর রহমান সিক্ত। বাস্তবে একজন প্র’তার’ক তিনি। সি’ক্ত পরিচয় দিয়ে বেড়ান তার মা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের তৃতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থী ও সাভারের বাংলাদেশ লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (বিপিএটিসি) ট্রেনিং ডিরেক্টর। তার ভাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ও বিপিএটিসির ফিজিক্যাল ইন্সট্রাক্টর...

কাতার প্রবাসে থেকেও বিসিএস ক্যাডার হলেন সুলতানা

ময়মনসিংহের আনন্দ মোহন কলেজের শিক্ষার্থী রহিমা সুলতানা। তিন ভাই ছয় বোনের মধ্যে সুলতানা পঞ্চম। বাবা আলী আকবর ভূঁঞা ছিলেন পোস্ট মাস্টার (অবসরপ্রাপ্ত)। মা রাজিয়া আক্তার গৃহিণী। সব মা-বাবার স্বপ্ন থাকে সন্তান উচ্চশিক্ষিত হয়ে মুখ উজ্জ্বল করবে, দেশ ও দশের কল্যাণে কাজ করবে। সব বাধা পেরিয়ে সুলতানা তার মা-বাবার মুখ উজ্জ্বল করেছেন।  বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) ৩৮তম ব্যাচের শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন রহিমা সুলতানা।আনন্দমোহন কলেজে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ পড়াকালীন সুলতানার বিয়ে হয়ে যায়। এরপর পড়াশোনায় ভাটা পড়ে। স্বামী শিবলী নোমান কাতার আওকাফে চাকরি করেন। ফলে বিয়ের পর সুলতানাকে কাতারে নিয়ে যান। ২০১৪ সালে কন্যাসন্তানের জন্ম হয় তার। এখন তার সন্তানের ছয় বছর।দেশের বাইরে থাকায় অনার্সের ক্লাস করতে পারেননি তিনি। যখন পরীক্ষায় সময় হতো তখন পরীক্ষা দেয়ার জন্য দেশে আসতেন। এ অবস্থায় অনার্স শেষ করা কঠিন হয়ে পড়ে তার। রহিমার আত্মবিশ্বাস ছিল। তাই বিয়ের পর দেশের বাইরে গিয়েও থেমে থাকেননি। উৎসাহ আর উদ্দীপনা নিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যান তিনি।রহিমা সুলতানা পড়াশোনা আর সংসার চালানোর পাশাপাশি ওমানে ২...

বিসিএস পরীক্ষা"র ছুটি নিয়ে ওসির সঙ্গে তর্ক, থানা"র ছাদে উঠে মাথায় গু’লি

৪১তম বিসিএস’র প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নিতে ছুটি চেয়েছিলেন পাবনার আতাইকুলা থানার এসআই হাসান আলী। ছুটি না দেয়ায় ওসির সঙ্গে তর্কের পর থানার ছাদে উঠে নিজের মাথায় গু’লি করে আ’ত্ম’হ’ত্যা করেন তিনি। এমনটাই দাবি করছেন নিহত পুলিশ সদস্যের বাবা। এসআই হাসান আলী যশোরের কেশবপুরের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের ভ্যানচালক জব্বার আলীর ছেলে। সোমবার নিজ গ্রামে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। হাসান আলী ৩৭তম আউটসাইট ক্যাডেট হিসেবে গত বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশে যোগ দেন। এ বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি পাবনার আতাইকুলা থানায় এসআই হিসেবে যোগদান করেন তিনি। কেশবপুর সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আলা জানান, হাসান আলীর মরদেহ পাবনার আতাইকুলা থেকে রোববার রাতে গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়। রাতেই শত শত মানুষ তাকে একনজর দেখতে ভিড় জমায়। সোমবার সকালে বাড়ির পাশেই হাসান আলীর জানাজা হয়। এরপর তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। হাসান আলীর বাবা জব্বার আলী বলেন, আমার এক মেয়ে ও এক ছেলে। অভাবের সংসারে অনেক কষ্ট করে ছেলেকে মানুষ করেছি। কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লেখাপড়া করে নিজের যোগ্যতায় পুলিশে চাকরি পায়। ট্রেনিং শেষে গত ...

বিসিএস ক্যা*ডার পরিচয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী"র ১২ বিয়ে!

শাহনুর রহমান সিক্ত। অনর্গল ইংরেজিতে কথা বলতে পারেন তিনি। বড় হয়েছেন বিপিএটিসির কোয়ার্টারে বড় হয়েছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস তার হাতের নাগালে। ওই ক্যাম্পাসের আলো বাতাস তার সবই পরিচিত। সিক্ত নামের ওই মে’য়েটি নিজেকে পরিচয় দেন নির্বাহী ম্যা’জিস্ট্রেট হিসেবে। তিনি নাকি ৩৬তম বিসিএস ক্যাডার। আর ওই পরিচয় দিয়ে তিনি ইতিমধ্যে একডজন বিয়ে ক’রেছেন। প্র’তারণার ফাঁ’দে ফে’লে হাতিয়ে নিয়েছেন লাখ লাখ টাকা। অথচ অনর্গল ইংরেজিতে কথা বলে যাওয়া কথিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রীর পড়াশোনা মাত্র ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত। তার নামের স’ঙ্গে শাহনুর আকতার নামে একজন বিসিএস ক্যাডারের নামের মিল থাকায় তার পরিচয় দিয়ে বেড়াচ্ছেন সিক্ত নামের এই না’রী। আদতে তিনি একজন ভ’য়ংকর প্র’তারক। তিনি পরিচয় দিয়ে বেড়ান তার মা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ৩য় ব্যাচের শিক্ষার্থী ও বিপিএটিসি’র ট্রেনিং ডিরেক্টর। ভাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ও বিপিএটিসির ফিজিকাল ইন্সট্রাক্টার। বড়বোন বঙ্গব’ন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গাইনি বিভাগের প্রফেসর। দুলাভাই প্রকৌশলী, একমাত্র চাচা সে’নাবা’হিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনা...

মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হাঁড়ি-পাতিল বেচে মে’য়েকে বিসিএস ক্যাডার বানালেন বাবা

বিরেণ সরকার। নিজের এক টুকরো জমি নেই। নেই বসতবাড়ি। একটি ভাড়া বাড়িতে থাকেন। গ্রামে গ্রামে ফেরি করে সিলভা’রের তৈরি হাঁড়ি-পাতিল বিক্রি করে দুই ছে’লে-মেয়েকে লেখাপড়া করিয়েছেন। ছে’লে-মেয়ের লেখাপড়ার খরচ আর সংসারের ভরণপোষণ চালাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয়েছে তাকে। লেখাপড়ার প্রতি দুই সন্তানের অদম্য ইচ্ছে দেখে নিজের দুঃখ-ক’ষ্টগুলো নীরবে বয়ে বেরিয়েছেন। নিজের সুখ-আহ্লাদের কথা চিন্তা করেননি বিরেণ সরকার। মনের নিভৃত কোণে আস্তে আস্তে বেড়ে উঠতে থাকে একটি স্বপ্ন। একদিন প্রা’ণ খুলে হাসবেন। প্রশংসায় ভাসবেন। অবশেষে সেই স্বপ্ন আজ হাতের মুঠোয়! এখন তিনি বিসিএস ক্যাডারের বাবা। তার মেয়ে বিথী রানী সরকার এখন বিসিএস ক্যাডার। কি’শোরগঞ্জের নিভৃত হাওর উপজে’লা নিকলী। নিকলী উপজে’লা সদরের বড়হাটি গ্রামের বাসিন্দা বিরেণ সরকারের এক ছে’লে ও এক মেয়ে। পরিবারের বড় সন্তান বিথি রানী সরকার। ৩৮তম বিসিএস পরীক্ষায় তিনি শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। বিথির এমন সাফল্যে প্রশংসায় ভাসছেন তার বাবা-মা। আশপাশের লোকজন ভিড় করছে তাদের বাড়িতে। বিথির সাফল্যে বাবা বিরেণ আর গৃহিণী মা ময়না সরকারের মুখে যেন ...

বিসিএস ক্যাডার হয়ে বাবার স্বপ্ন পূরণ করলেন রাইসা

শারমিন আক্তার রাইসার জন্ম ১৬ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়। বাবা মো. আনিসুর রহমান, মা সেলিনা রহমান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ৩৬তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডার হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে গৌরীপুর মুন্সি ফজলুর রহমান সরকারি কলেজে যোগদান করেন। সম্প্রতি তার স্বপ্ন ও সফলতার গল্প শুনিয়েছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জাহিদ হাসান— আপনার ছোটবেলা কেমন কেটেছে? শারমিন আক্তার রাইসা: ঢাকায় বাবার নিজস্ব ব্যবসা ছিল। ফলে ঢাকায়ই বড় হয়েছি। আমার খালু সুরসম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দীন খাঁর উত্তরসূরি ছিলেন। তাই আমার ছোটবেলা কেটেছে সাংস্কৃতিক আবহে। ছোটবেলা থেকেই সংগীতচর্চা, খেলাধুলা, ছবি আঁকা খুব পছন্দ করতাম। দাদা বাংলাদেশ বেতারে চাকরি করতেন। সে সুবাদে ছোটবেলায় আমি এবং আমার ছোট বোন বেতারে ছোটদের অনুষ্ঠানে প্রায়ই গান গাইতাম। আমার বাবা পড়ালেখা করার তেমন সুযোগ পাননি। তাই আমাদের পড়াশোনা করানোর প্রতি তার আগ্রহ ছিল অনেক। তিনি স্বপ্ন দেখতেন আমরা পড়ালেখা করে একদিন অনেক বড় হবো। পড়াশোনায় কোনো প্রতিবন্ধকতা ছিল কি? স্বপ্নের মঞ্চে পৌঁছতে আপনার বিশে...

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গর্ব ফাল্গুনী, ৩৬তম বিসিএসে ১৩তম

ফাল্গুনী বাগচী। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন তিনি। তবে এর জন্য কখনও হীনমন্যতায় ভুগেননি। প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাস নিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন তিনি। ফরিদপুরের ওই মেয়েটিই এখন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গর্ব ও অনুপ্রেরণার। ফাল্গুনী ৩৬তম বিসিএসে পররাষ্ট্র ক্যাডারে ১৩ তম হয়েছেন। তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও নিজেকে মেলে ধরা যায়। মেধা, যোগ্যতা আর অধ্যবসায়ের কারণে তিনি হয়ে উঠেছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন সারথি। তার এমন সাফল্য যেন শিক্ষার্থীদের নতুন করে শক্তি জুগিয়েছে। ফাল্গুনী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করেছেন যেখানে ক্লাস ঠিকমত হয় না, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মত সুযোগ সুবিধা পায় না, সময় মত রেজাল্ট হয় না। এর পাশাপাশি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বলে হেয় প্রতিপন্ন করা। সব ছাপিয়ে সেরাদের কাতারে নাম লিখিয়েছেন তিনি। ফাল্গুনী প্রমাণ করেছেন সফলতার কোন স্ট্যান্ডার্ড নেই, কোন সংজ্ঞা নেই, স্পেসিফিক কোন সময় নেই। অদম্য ওই মেধাবীর জন্য ক্যাম্পাসলাইভের পক্ষ থেকে রইলো শুভকামনা।

পেটের দায়ে রিকশা চালিয়ে এখন বিসিএস ক্যাডার, মাকে চড়ালেন স্বপ্নের বিমানে

বিমানের আওয়াজ কানে বাজলেই যেকোনো কেউ একবার হলেও আকাশের দিকে তাকান। গ্রাম হলে তো কথাই নেই; বাচ্চাদের সঙ্গে বৃদ্ধরাও বিমান দেখতে ঘর থেকে দৌড়ে উঠোনে চলে আসেন। তেমনই একজন গীরু বালা রায়। আকাশে ওড়া বিমান দেখতে দেখতে প্রায়ই আফসোস করতেন আর বলতেন, ‘একদিন যদি চড়তে পারতাম….’ এ বলে দীর্ঘ নিশ্বাস নিতেন। কারণ গীরু বালা রায়ের সংসারে অনটন। নুন আনতে পান্তা ফুরায় দশা। আর বিমানে চড়া তো এভারেস্টের চূড়ায় উঠার মতোই দুঃস্বপ্ন। তবু মাকে কথা দিয়েছিলেন ছোট ছেলে শিপন রায়। বলেছিলেন চাকরি হলেই পূরণ করবেন মায়ের স্বপ্ন। অবশেষে মায়ের সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। গত বুধবার বিকেলে ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইটে চড়িয়ে মাকে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে আনেন আদরের ছোট ছেলে শিপন রায়। এর আগের দিন মঙ্গলবারেই ৩৮তম বিসিএসের নন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হন শিপন রায়। শিপন রায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে এমএ প্রথম শ্রেণিতে তৃতীয় হন। এমফিল করারও প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এর মধ্যেই এলো মায়ের স্বপ্ন পূরণ করা ছেলেটির চাকরির সুখবর। যদিও শিপনের উঠে আসার গল্পটা অনেক সংগ্রামের। কী করেননি এ জীবনে। ১০ বছর বয়স থেকেই শুরু হয় তার লড়াই। রিকশা চালিয়ে প্রথম র...

শিক্ষকতাই প্রিয় আসিফের, যোগ দিলেন না বিসিএসের পররাষ্ট্র ক্যাডারে

রবিবার ৩৭তম বিসিএসে উর্ত্তীণদের আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদানের দিনক্ষণ ছিল। এই বিসিএসে উর্ত্তীণরা এদিন যখন যোগদানের আনুষ্ঠানিকতা সেরেছিল, ঠিক তখন ক্লাসরুমেই ছিলেন এই বিসিএসে পররাষ্ট্র ক্যাডারে ৭ম স্থান অধিকার করা আসিফ ইমতিয়াজ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা ছেড়ে বিসিএসের পররাষ্ট্র ক্যাডারে জয়েন করেননি তিনি। রবিবার রাতে দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে তিনি নিশ্চিত করেন। আসিফ ইমতিয়াজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভূক্ত ম্যানেজমেন্ট ইনফরম্যাশন সিস্টেম বিভাগের প্রভাষক।  কেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা ছেড়ে বিসিএসের পররাষ্ট্র ক্যাডারে জয়েন করেননি আসিফ ইমতিয়াজ। বিষয়টি নিয়ে রবিবার রাতে ফেসবুকে নিজের এ্যাকাউন্টে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি। নিচে স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো- ‘আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সহকারি সচিব হিসেবে আমার যোগদানের দিন ছিলো। সকালে যখন আমার ব্যাচমেটরা যোগদানের আনুষ্ঠানিকতা সারছিলো, আমি তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ক্লাসরুমে আমার প্রিয় ছাত্রছাত্রীদের স্যামপ্লিং ডিস্ট্রিবিউশন পড়াচ্ছিলাম। গত ৯ মাসে আমাকে সবাই প্রশ্ন করেছেন আমার সিদ্ধান্ত কী। কেউ বলেছেন সিভিল সার্ভিসে চল...

যেভাবে প্রস্তুতি নিলে ২ মাসেই বিসিএস প্রিলি পাশ করা সম্ভব: বিসিএস প্রস্তুতি

বিসিএস এর সবচেয়ে কঠিন ধাপ হল প্রিলিমিনারি। বসিএস প্রিলি পাশ করাটা অনেক কঠিন কারন, এই ধাপে পরীক্ষার্থী তথা প্রতিযোগীর সংখ্যা অনেক বেশি হয়। অনেকেই অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করেছেন। তাদের উৎসর্গ করে এ লেখা। লেখাটি মূলত ৩৫তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার আগে লেখা হয়েছিল। যেভাবে প্রস্তুতি নিলে ২ মাসেই বিসিএস প্রিলি পাশ করা সম্ভব। ১। শুরুর কথা! বাংলাদেশের ১ নং সরকারি সার্ভিস হচ্ছে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস(বিসিএস)।  সিভিল সার্ভিসের একজন গেজেটেড কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করার স্বপ্ন আমাদের অনেকের বুকের মাঝে লালিত আছে। সেই স্বপ্ন বাস্থবায়নের শুরুটা হচ্ছে বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় সাফল্য পেয়ে লিখিত পরীক্ষার জন্য নিজেকে এনলিস্টেড করতে পারা এবং পরবর্তীতে মৌখিক পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়ে চূড়ান্ত ফলাফলে নিজের নামকে দেখতে পারে। ৩৭তম বিসিএস যারা দিতে যাচ্ছেন তাদেরকে অগ্রিম শুভেচ্ছা। আপনারা জেনেছেন যে ৩৫তম বিসিএস থেকে ২০০ নম্বরের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হচ্ছে। ইতোমধ্যে নম্বর বাড়িয়ে বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ২০০ নম্বরের করা হয়েছে এবং সেই সাথে নতুন বাছাই পরীক্ষার সিলেবাস ও মানবন্টন দেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়ম...

১৭ বছর পর ক্যাডার হচ্ছেন ২৪তম বিসিএসের আশরাফ! ধৈর্য্যের চরম পরীক্ষা

আশাবাদী মানুষটির নাম মো. আশরাফুল ইসলাম (দিপু)। পড়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগে। ১৯৯৪-৯৫ শিক্ষাবর্ষে। স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন ১৯৯৯ সালে। তবে কেন আশরাফ আশাবাদী? সেই গল্পটি আগে জানা দরকার। এজন্য ফিরতে হবে ১৭ বছর পেছনে, ২০০২ সালে।  ওই বছর অনুষ্ঠিত ২৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন আশরাফ। সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়ে লিখিত পরীক্ষাও দিয়েছিলেন তিনি। পরে চূড়ান্ত বাছাইয়ের জন্য মনোনীত হলে ২০০৩ সালের ৮ আগস্ট মৌখিক পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ হয় আশরাফের। কিন্তু এখানেই তার ভাগ্য সহায় হয়নি।  জানা যায়, একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে নির্ধারিত কোটার বিপরীতে বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন আশরাফ। তার ভাষায়, ২০০১ সালে নেয়া তার পিতার মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেটে তৎকালীন ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সিল-স্বাক্ষর ছিল। তখনো মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন হয়নি। পরে এ সংক্রান্ত মন্ত্রণালয় গঠন করা হলে সেখান থেকে সার্টিফিকেট নিতে হতো। কিন্তু সময়ের স্বল্পতার কারণে ওই সময় মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় থেকে সার্টিফিকেট নেয়া সম্ভব হয়নি। তার কা...

বারবার ব্যর্থতায় জেদ, অধ্যবসায়ে বিসিএস ক্যাডার সাথী

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথমবর্ষে কোলজুড়ে আসে আবরার ফাইয়াজ সাদিত। ছেলে বর্তমানে সাতক্ষীরা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্র। সংসার সামলানোর সাথে সাথে যোগ হয় আরও বড় দায়িত্ব সন্তানকে দেখাশোনা করা। তবে কখনো হাল ছেড়ে দেননি। এতসব দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ঠিকমত কষ্ট করে পড়াশোনা শেষ করেছেন। মাস্টার্সের প্রথমবর্ষ থেকে অল্প অল্প বিসিএসের প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেন এবং মাস্টার্স শেষ করার পর পুরোপুরিভাবে প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেন তিনি। সারাদিন সংসারের কাজ শেষে রাতের বেলা বিসিএসের প্রস্তুতি নিতেন। এর আগেও বিসিএস পরীক্ষা দিয়েছিলেন। কিন্তু সঠিকভাবে প্রিপারেশনের অভাবে প্রিলিতে উত্তীর্ণ হতে পারেননি। দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে সাথী বলেন, ‘এরপর অসম্ভব জেদ চেপে যায়। যেভাবে হোক বিসিএস পরীক্ষায় সফল হওয়া চাই। এমনটাই দৃঢ় মনোবল নিয়ে প্রস্তুতি নিই। যার ফলে ৩৮তম বিসিএস এ সফল হই। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। ৩৮তম বিসিএস তৃতীয় সরকারি চাকরি।’ বিসিএসের এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দেয়া শুরু হয় ২০১৭ সালের জুন মাস থেকে। মাঝে তিনি হতাশ হয়ে পড়েন তাই পরপর আরও চারটি সরকারি চাকরির পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন যার সবগুলোতে ভাইভা পর্যন্ত গি...

তিন মাস একটানা ১৪-১৫ ঘণ্টা পড়ে বিসিএস ক্যাডার

মেধাবী হওয়ায় বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা শুরু থেকেই স্বপ্ন দেখতেন প্রাথমিকে বৃত্তি পাবেন ডলি। দরিদ্র পরিবারের সন্তান হওয়ায় বৃত্তি পাওয়ার সুবিধার জন্য গাইডবই কিনে দিয়েছিলেন ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক মুকুল। ওই শিক্ষকের কথা রেখেছেন ডলি, প্রাথমিকে পেয়েছেন বৃত্তি। ছোটবেলা থেকে পড়াশোনার প্রতি মনোযোগী ছিলেন তিনি। শিক্ষাজীবনের শুরুতে ধর্মপাশা উপজেলার মধ্যনগর থানার ঘাসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। অনেক বাধা-বিপত্তি ও প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে হাওরের মেয়ে ডলি রানী সরকার বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন তিনি। জীবনের শুরু থেকে অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা করেছেন। দিনে ১৪-১৫ ঘণ্টা পড়াশোনা করে আজ তিনি সফল। বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) ৩৮তম ব্যাচের পুলিশ ক্যাডারে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন ডলি রানী সরকার। সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার মধ্যনগর থানার দক্ষিণ বংশিকুন্ডা গ্রামের কৃষক বাবার সন্তান ডলি রানী সরকার। নবম শ্রেণি পর্যন্ত বাবার সঙ্গে হাওরের মাঠে কৃষিকাজ করেছেন। বর্ষাকালে পড়াশোনা আর হেমন্তে বাবার সঙ্গে হাওরে ধান কাটা, ফসল লাগানোসহ সব ধরনের কাজে বাবাকে সহযোগিতা করেছেন ডলি। মূলত কৃষ...

ভালো লিখিত পরীক্ষা আর বিনয়ী ভাই;ভায় আজ আমি প্রশাসন ক্যা;ডার

মনে মনে যেভাবে ছক করেছিলাম আল্লাহর রহমতে লিখিত পরীক্ষা সেভাবেই দিয়েছিলাম। পরীক্ষার সর্বশেষ লাইনটি লেখার পর মনের অজান্তেই মুখ থেকে বেরিয়ে গেল আলহামদুলিল্লাহ… ১৯ মার্চ ২০১৭ ভাইভা তারিখ। ১৮ মার্চ সদ্য তৈরি করা একটি প্যান্ট আর একটি সাদা ঝকঝকে শার্ট লন্ড্রি থেকে এনে ওয়ারড্রবে রাখলাম।  পরদিন ৭ টায় ঘুম থেকে উঠলাম। রুমমেটের যাতে ঘুম না ভাঙ্গে সে জন্য ঢিম লাইটের আলোতে পোশাক পরে নিলাম। ১০টার অনেক আগেই পিএসসিতে পৌঁছে গেলাম। ৯.৩০ এ হল রুমে নিয়ে যাওয়া হল।  এবার টাইটা ভাল মত লাগাতে হবে। কিন্তু কিছুতেই শার্ট এর কলারের সাথে টাই সেট হচ্ছে না। একজন পূর্ব পরিচিত ভাইকে বললাম টাইটা লাগিয়ে দিতে। তিনি টাইটা লাগাতে গিয়ে বললেন ভাই আপনার শার্টতো জং পড়া। এবার আমি শার্টের কলারের দিকে তাকালাম। আমার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ল। নতুন শার্টের পাশে রাখা তিন বছরের পুরনো বিভিন্ন জায়গায় জং পড়া শার্টটিই ঢিম লাইটের আলোতে পড়ে এসেছি। বুঝে গেলাম ভাইভা যা হওয়ার হয়ে গেছে। অগত্যা সেই ড্রেসে হাজির হলাম শাহ আব্দুল লতিফ স্যারের বোর্ডে। স্যার ১ ঘন্টা দেরি করে ভাইভা শুরু করলেন। সবার এভারেজ সময় ৫ মিনিট। সম্ভবত ৭ নম্বর প্রার্থী আমি ...

ধৈর্য, শ্রম এবং ভাগ্য- এই তিনের সং;মিশ্রণে প্রশাসন ক্যাডার হলেন নি;গার সুলতানা

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে না পারার ক’ষ্টে মেধা যাচাই করতে বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নেন। প্রথমবারেই বাজিমাত করেছেন তিনি। সবাইকে তাক লাগিয়ে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) ৩৮তম ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারে সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হন নিগার সুলতানা জিনিয়া।  ৩৮তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে সারাদেশের মধ্যে তার সাবজেক্টে ১৮৯তম হয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযু’ক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চ’ম ব্যাচের শিক্ষার্থী নিগার সুলতানা জিনিয়া।  তিনি কুমিল্লার চান্দিনা উপজে’লার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজে’লার মৎস্য কর্মক’র্তার কার্যালয়ের সম্প্রসারণ কর্মক’র্তা। কুমিল্লার চান্দিনা উপজে’লার ডা. ফিরোজা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে লেখাপড়া শুরু করেন জিনিয়া। ছোটবেলা থেকে লেখাপড়ায় মনোযোগী হওয়ায় অষ্টম শ্রেণিতে বৃত্তি পান। এ সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে শুরু হয় জিনিয়ার পথচলা। ২০০৭ সালে এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ এবং মেধাতালিকায় বোর্ডের অধীনে বৃত্তি পান।  এরপর ভর্তি হন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের বিজ্ঞান বিভাগে। একাদশ শ্রেণিতেও ভালো...

ন্যূনতম ৩.৫৬ জিপিএ নিয়ে যেভাবে বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডার পেলেন মোশারফ!

‘কলেজের সেরা ছাত্র ছিলাম। জিপিএ-৫ যে পাবো, এটা নিশ্চিত ছিলাম। কিন্তু যখন রেজাল্ট প্রকাশিত হলো, তখন তো মাথায় হাত! এতো খারাপ রেজাল্ট আশা করিনি। এর আগে এসএসসিতেও পেয়েছি মাত্র ৩.৫৬।  এর জন্য অনেক কেঁদেছি। ভাগ্যকে দোষ দিয়েছি। তবে এত কম ফলাফলেও যে প্রশাসন ক্যাডার পাবো, তা স্বপ্নেও ভাবিনি।’ কথাগুলো বলছিলেন ৩৬তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডার পাওয়া মো. মোশারফ হোসাইন। নরসিংদী সদর উপজেলার লোকবালী ইউনিয়নের একটি প্রত্যন্ত গ্রাম বাখরনগর।  এ গ্রামেই শৈশব-কৈশোর কাটে মোশারফের। বাখরনগর গ্রামে নেই রাস্তা-ঘাট, নেই কোনো ধরনের নাগরিক সুবিধা। মোশারফ হোসাইনই ওই গ্রামের প্রথম সন্তান হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেন। আরেকটা বিষয় এই ইউনিয়ন থেকে ইতোপূর্বে বিসিএস ক্যাডারে সুযোগ পাননি কেউই। এমনই এক প্রত্যন্ত এলাকার কৃষক মো. তাহের আলীর সন্তান মোশারফের সফলতা সবাইকেই তাক লাগিয়ে দিয়েছে। অক্ষরজ্ঞানহীন মা রেজিয়া বেগমের পরিশ্রমের ফসল আজকের মোশারফ।  তিনি বলেন,’ আমার মা পড়াশোনা জানতেন না। তবে আমাকে পড়ানোর জন্য পাশের বাড়ির একজন নারীর কাছে গিয়ে আমার পড়া মুখস্ত করে আসতেন। এরপর আমাকে পড়াতেন। এভা...

বিসিএস পুলিশ ক্যা"ডার হয়ে ইতি;হাস গড়লেন আপন দুই বোন

হবিগঞ্জের বাহুবলের ছাত্রী নাসরিন আক্তার ও শিরিন আক্তার। এসএসসি-এইচএসসি শেষ করে তারা চলে আসেন ঢাকায়। ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। দুই বোনই ওই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স করেছেন। বড়বোন নাসরিন পড়েছেন ইতিহাস বিভাগে, আর ছোটবোন শিরিন রাষ্ট্রবিজ্ঞানে। আকবর হোসেন ও জাহানারা বেগম দম্পতির দুই অপরাজিতার সাফল্য কাহিনী এখন এলাকার মানুষের মুখে মুখে।  চলুন জেনে নেয়া যাক তাদের সফলতার গল্প। ৩১তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে নিয়োগ পান নাসরিন। বর্তমানে তিনি কঙ্গোতে শান্তিরক্ষী মিশনে কর্মরত আছেন। ছোটবোন শিরিন আক্তার ৩৬তম বিসিএসের মাধ্যমে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে।  জানা যায়, মূলত ৩১তম বিসিএসে বোনের সাফল্য দেখেই অণুপ্রাণিত হন শিরিন। বোনের কর্মক্ষেত্র ও কর্মস্পৃহা দেখে অণুপ্রাণিত হয়েছেন অনেক বেশি। সর্বোপরি নারীর ক্ষমতায়নের জন্য মেয়েদের পুলিশের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যাওয়া জরুরী বলে মনে করেন শিরিন। বড় বোনের সফলতার পরই সিদ্ধান্ত নেন বোনের মতো পুলিশ কর্মকর্তা হবার। সেজন্য বোনের দেখানো পথেই হেঁটেছেন। এক্ষেত্রে পরিশ্রম ও কৌশলগত প্রস্তুতি তাকে অনেক এগিয়ে নিয়েছে। তবে বেশি সময়...

শখের বশে বিসিএস পরী"ক্ষা দিয়েই প্রথম

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়েছেন ১২ বছর। বরাবরই ভালো ফলাফলের তালিকায় ছিল তার নাম। এসএসসি ও এইচএসসি দুটোতেই গোল্ডেন জিপিএ। এর পরেই তার স্বপ্নগুলো বড় হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজে। এখান থেকেই এমবিবিএস পাস করেছেন তিনি। অনেকটা হেয়ালি করেই যেন বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি। ধরে নিয়েছিলেন হয়তো পাস করবেন। তবে এভাবে প্রথম হয়ে যাবেন সেটা কখনও তিনি কল্পনা করেননি। যশোরের মেয়ে উর্মিতার গল্প এটি। তিনি বড় হয়েছেন ঢাকায়। জানালেন, বিসিএস নিয়ে তেমন আগ্রহ ছিল না তার। টার্গেট ছিল সার্জারিতে ক্যারিয়ার গড়বেন। এজন্য বিসিএসে অংশ নেন তিনি। ভবিষ্যতে সার্জারিতে উচ্চতর ডিগ্রি নিতে আগ্রহী উর্মিতা মোটামুটি পড়াশোনা করেই ৩৭তম বিসিএসে অংশ নেন। এ পরীক্ষায় তিনি স্বাস্থ্য ক্যাডারে প্রথম হন তিনি। উর্মিতা দত্ত ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেছেন। চূড়ান্ত পেশাগত পরীক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে উর্মিতা প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকও লাভ করেছিলেন। বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিউরোসার্জারি বিষয়ের রেসিডেন্ট হিসেবে উচ্চতর প্রশিক্ষণ (এমএস) গ্রহণ করছেন। উর্মিতা জান...

লাক্স সুপারস্টার থেকে স্বামীসহ বিসিএস ক্যাডার

তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া। ২০১০ সালে চ্যানেল আই লাক্স সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন। সেখানে তিনি সেরা দশের তালিকায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, পুরস্কার জিতে নেন ক্লোজআপ মিস বিউটিফুল স্মাইল ক্যাটাগরিতেও। ইট পাথরের নগরী ঢাকা শহরেই জন্ম ও বেড়ে উঠা। বাবা ডা. আজিজুল হক খান একজন সরকারী কর্মকর্তা। মা সালমা সুলতানা গৃহিণী। ৫ম শ্রেণীতে পেয়েছেন ট্যালেন্টপুল বৃত্তি। ছোট বেলা থেকেই বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতেন। অর্জনের ঝুলিতে রয়েছে গান ও একক অভিনয়ে জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার। কাব স্কাউট জাতীয় পর্যায়ে রানার্স আপ হয়েছেন। এছাড়াও বিভিন্ন সময় নাচ,অভিনয় ও গানে সেরা হয়ে পেয়েছেন পুরস্কার। এসব কাজে সব সময় তার মা অনুপ্রেরণা দিতেন ওতার সাথে যেতেন। পড়ালেখাও সেরা ছিলেন। সব সময় ক্লাসে প্রথম হতেন। বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিকে বিজ্ঞান বিভাগ নিয়ে জিপিএ ৫ পেয়েছেন। উচ্চ মাধ্যমিকে কুমুদিনী সরকারী কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগ নিয়ে এবারও জিপিএ ৫ পেয়ে উচ্চ মাধ্যমিকের সমাপ্তি ঘটান। উচ্চ মাধ্যমিকের সফল সমাপ্তির ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার ...

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

চুল পড়া কমাতে পেয়ারা পাতার জাদু

চুল পড়া নাকি স্বাভাবিক একটি ব্যাপার, এমনটাই বিশেষজ্ঞদের মত। তবে তা দিনে ১০০ টা পর্যন্ত। এর চেয়ে বেশিও হলে তা চিন্তার বিষয়। ঘন ঘন এমন চুল ওঠার ফলে চুলের গোছা পাতলা হয়ে যায়। মাথার তালুতে জায়গায় জায়গায় ফাঁকা হয়ে যেতে থাকে। অবহেলা এবং অযত্নের এমনটা হয়ে থাকে। এছাড়াও দূষণ, খাবারের সমস্যা, ঘুম কম হওয়া, দুশ্চিন্তা তো নিত্যদিনের সঙ্গী। এসব কারণেই মূলত অতিরিক্ত চুল পড়ার সমস্যা হয়ে থাকে। চুল ঝরে যাওয়া আসলে একেবারে প্রাকৃতিক একটি প্রক্রিয়া। চুল ঝরে যাবে এবং আবার নতুন চুল গজাবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে অনেকেরই চুল খুব বেশি ঝরে যাচ্ছে। চুল পড়া কমাতে নিয়মিত চুলে তেল ব্যবহার করুন। সেই সঙ্গে ঘরোয়া একটি প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। এতে চুল পড়া বন্ধের পাশাপাশি চুল সুন্দর ও মসৃণ হতে সহায়তা করবে। চুল পড়া বন্ধে পেয়ারা পাতার কার্যকারিতার কথা আমরা সবাই কমবেশি জানি। এটি চুল পড়া বন্ধে খুবই কার্যকরী। তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক কীভাবে ব্যবহার করবেন পেয়ারা পাতা- যা যা লাগবে: এক মুঠো পেয়ারা পাতা, পানি এক লিটার। একটি পাত্রে পানি জ্বাল দিতে দিন। পানি ফুটে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। ফুটে এলে এতে পেয়ারা পাতা দিয়ে দিন। পেয়ারা পাত...

প্রেমের ফাঁ’দে ফে’লে ১০০ নারীর ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল

অনলাইনে নিজেকে সরকারি কর্মকর্তা পরিচয়ে মেয়েদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতেন। একপর্যায়ে নানা ছলনায় ভুলিয়ে তাদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে ভিডিও ধারণ করতেন।  এরপর আপত্তিকর সেসব ছবি পরিবারের কাছে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করেন। এভাবে গত ৮ বছরে প্রায় শতাধিক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ব্ল্যাকমেইল করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়েছেন বরিশালের বেলাল হোসেন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় বেলালকে গ্রেফতারের পর পুলিশ বলছে, চল্লিশোর্ধ্ব নারীদের টার্গেট করতেন বেলাল। বেলালের ফোনে পাওয়া গেছে ৮ হাজার আপত্তিকর ছবির সন্ধান। তার এই প্রতারণা থেকে বাদ যায়নি তার স্বজনরাও। মাস তিনেক আগে রাজধানীর যাত্রাবাড়ির এক নারীর সঙ্গে বরিশালের বেলাল হোসেনের ফেসবুকে পরিচয় হয়। বিয়ের প্রলোভনে ওই নারীর গো’পন ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী নারী। পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গোয়েন্দা মতিঝিল বিভাগ উপকমিশনার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে আমরা সত্যতা পেয়েছি। তার মোবাইলে এবং ইমো, ওয়াটসঅ্যাপে বিভিন্ন আপত্তিকর ছবি পেয়েছি। গত আট বছরে শতাধিক নারীর সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। বেলাল মধ্যবয়সী নার...

আইএফআইসি ব্যাংকে অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি

আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেডে ‘ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার (টিএও)’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেlন। প্রতিষ্ঠানের নাম: আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড পদের নাম: ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার (টিএও) পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয় শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক। তৃতীয় শ্রেণি/বিভাগ গ্রহণযোগ্য নয় অভিজ্ঞতা: প্রযোজ্য নয় দক্ষতা: ব্যবস্থাপনা ও যোগাযোগে দক্ষ হতে হবে বেতন: ২৮,৩৭০-৩৫,৯৯০ টাকা চাকরির ধরন: অস্থায়ী প্রবেশনকাল: ০১ বছর প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ বয়স: ১০ জুলাই ২০২১ তারিখে ৩০ বছর কর্মস্থল: যেকোনো স্থান আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা www.career.ificbankbd.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের শেষ সময়: ১০ জুলাই ২০২১