সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

ফলের পুষ্টিগুন লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ইভ্যালির ৭টি গাড়ি নিলামে

 দেশের আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির সাতটি o গাড়ি নিলামে তোলা হচ্ছে। ইভ্যালির ব্যবস্থাপনায় হাইকোর্ট গঠিত বোর্ডের সদস্য ও প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাহবুব কবীর আজ বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নিলাম আহ্বান করেছেন। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি গাড়িগুলোর নিলাম হবে। নিলাম বিজ্ঞপ্তিতে দেখা গেছে, ইভ্যালির মালিকানাধীন একটি রেঞ্জ রোভার, একটি টয়োটা প্রিউস, একটি টয়োটা সি এইচ আর, দুটি টয়োটা এক্সিও, একটি হোন্ডা ভেজেল ও একটি টয়োটা মাইক্রোবাস আপাতত নিলামে তোলা হয়েছে। এসব গাড়ির ন্যূনতম নিলাম মূল্যও উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। ২০২০ সালে তৈরি রেঞ্জ রোভারের ন্যূনতম নিলাম মূল্য এক কোটি ৬০ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া টয়োটা প্রিউসের ন্যূনতম দর ১৩ লাখ ৫০ হাজার, টয়োটা সিএইচআর দর ১৮ লাখ, টয়োটা এক্সিওর প্রতিটির দর ৯ লাখ ১৮ হাজার, হোন্ডা ভেজেলের দর ১৬ লাখ ও টয়োটা মাইক্রোবাসের ন্যূনতম দর ১২ লাখ টাকা ধরা হয়েছে। আগ্রহী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ধানমন্ডির উইন্সকোর্ট অফিস থেকে এ নিলামের নিবন্ধন কার্ড নিতে পারবেন। ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নিলামের দরপত্র জমা দেওয়া যাবে। ৫ ...

হাড়ক্ষয়ের সমস্যায় ভুগছেন, খেয়ে দেখুন ৬ খাবার - ম্যাক্সটিপসবিডি

হাড়ক্ষয় বলতে শরীরে হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়াকে বুঝায়। অনেকটা মৌচাকের মতো হয়ে যায়। এতে হাড় ঝাঁজরা বা ফুলকো হয়ে যায়। এতে হাড় অতি দ্রুত ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। মারাত্মক হাড়ক্ষয়ে হাঁচি বা কাশি দিলেও তা ভেঙে যেতে পারে। ৫০ বছর পেরোনোর পর থেকে শরীরের হাড়ক্ষয়ের লক্ষণগুলো দেখা দেয়। পুরুষ ও নারীর দেহের হাড় সাধারণত ২৮ বছর বয়স পর্যন্ত ঘনত্বে বাড়ে; ৩৪ বছর পর্যন্ত তা বজায় থাকে। এর পর থেকে হাড়ক্ষয় হতে থাকে। যাদের হাড়ক্ষয়ের ঝুঁকি বেশি তাদের হাড়ের ঘনত্ব দ্রুত কমতে থাকে। নারীদের মাসিক-পরবর্তী সময়ে হাড়ক্ষয়ের গতি বেগবান হয়। এ ছাড়া অনেক কারণ বা স্বাস্থ্যঝুঁকি হাড়ক্ষয়ের আশঙ্কা বৃদ্ধি করতে পারে। তবে কিছু খাবার রয়েছে যা হাড়কে শক্তিশালী করে। আসুন জেনে নিই এমন কিছু খাবার সম্পর্কে- ১. প্রতি এক কাপ দুধে দৈনন্দিন ক্যালসিয়ামের চাহিদার ৩০ ভাগ পূরণ হয়। এ ছাড়া দুধে থাকা ভিটামিন ডি গোটা শরীরের জন্য উপকারী। ২. হাড় শক্তিশালী করতে খেতে পারেন সবুজ শাকসবজি। বাঁধাকপি, ওকরাতে থাকা পুষ্টি ও ক্যালসিয়াম হাড় শক্ত করতে সাহায্য করে। এ সবজিগুলো দিয়ে তৈরি সালাদ, স্যুপ, স্ট্র হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ভুমিকা রাখে। ...

প্রতিদিন দু’টি কাঁচামরিচ খেলে কী হয়? - ম্যাক্সটিপসবিডি

কাঁচা মরিচ ঝালপ্রেমীদের কাছে কাঁচামরিচ একটি প্রিয় নাম। রান্নায় তো বটেই, খাবারের সঙ্গে আলাদা করে কাঁচামরিচ খান অনেকেই। কাঁচামরিচে রয়েছে প্রচুর ডায়াটারি ফাইবার, থিয়ামিন, রাইবোফ্লবিন, নিয়াসিন, ফলেট, আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ এবং ফসফরাস। সেই সঙ্গে রয়েছে আরও বেশ কতক পুষ্টিকর উপাদান। যেমন- ভিটামিন এ, সি, কে, বি৬,পটাশিয়াম, কপার এবং ম্যাগনেসিয়াম। এর সবগুলো উপাদানই আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয়। দিনে অন্তত দুটি কাঁচামরিচ খেলে যেসব উপকার মেলে- ক্যান্সার দূরে রাখে:  কাঁচামরিচে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরে জমে থাকা ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানের সব বেরিয়ে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ক্যান্সার সেল জন্ম নেয়ার আশঙ্কা প্রায় থাকে না বললেই চলে। হার্ট চাঙ্গা থাকে:  নিয়মিত দুটি করে কাঁচামরিচ খেলে হার্টের কোনো ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে না। কাঁচামরিচে থাকা বেশকিছু উপকারী উপাদান একদিকে যেমন রক্তে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রাকে কমিয়ে ফেলে, তেমনি ট্রাইগ্লিসারাইড যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায়, সেদিকেও খেয়াল রাখে। শুধু তাই নয়, কোনোভাবেই যাতে ব্লাড ক্লট না হয়, তাও সুনিশ্চিত করে এই প্রাকৃতি...

গাজরের জুসের ১০ টি উপকারিতা - Maxtipsbd

গাজরের জুসের উপকারিতা গাজরে যেসব উপাদান রয়েছে: ভিটামিন এ, ভিটামিন কে, ভিটামিন সি ও ফাইবার পটাশিয়াম। ১. ক্যানসার প্রতিরোধে:   হজমের পর খাদ্যের কিছু উচ্ছিষ্ট আমাদের শরাীরে থেকে যায়। যাকে ফ্রি র্যাডিকেলস বা মৌল বলে। এই ফ্রি র্যাডিকেলস শরীরের কিছু কোষ নষ্ট করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট জাতীয় খাবার এই ধরনের মৌলের বিরুদ্ধে লড়াই করে। শরীরে ক্যানসারের কোষ উৎপাদন কম হয়। গবেষণায় দেখা যায়, প্রতি ১০০ গ্রাম গাজরে ৩৩ শতাংশ ভিটামিন ‘এ’, ৯ শতাংশ ভিটামিন ‘সি’ এবং ৫ শতাংশ ভিটামিন ‘বি-৬’ পাওয়া যায়। এগুলো এক হয়ে ফ্রি র্যাডিকেলসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। ২. চোখের মহৌষধ :   গাজরের আকর্ষণীয় বর্ণের মধ্যেই রয়েছে এর ঔষধি গুণ। গাজরের বিটা ক্যারোটিন নিজে নিজেই ভিটামিন-এ’তে রূপান্তরিত হয় যা দেহের জন্য খুবই উপকারী। বিটা-ক্যারোটিন আমাদের দেহের ভেতরে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে রেটিনল বা ভিটামিন-এ’তে রূপান্তরিত হয়, আর ভিটামিন-এ আমাদের দৃষ্টিশক্তি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমাদের দেশে প্রতি বছর ৩০ থেকে ৪০ হাজার শিশু অন্ধ হয়ে যায় ভিটামিন-এ’র অভাবে। সাধারণত ৫ মাস থেকে ৫ বছর বয়...

রোগ থেকে দ্রুত মুক্তি দিবে যে খাবারগুলো - Max Tips Bd

রোগ থেকে  দ্রুত মুক্তি দিবে যে খাবারগুলো যেকোনো অসুস্থতা থেকে আরোগ্য লাভ করতে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন হয়। কারণ তখনও কিছুটা দুর্বলতা, পানিশূন্যতা এবং ক্লান্তিবোধ থাকে বিশেষ করে যখন কোনো শারীরিক বা মানসিক কাজ করতে হয়। তাই দেহের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে কিছু অত্যাবশ্যকীয় ভিটামিন এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান দেহের জন্য প্রয়োজন হয়। এইসব তখনই প্রয়োজন হয় যখন কোনো ভাইরাল বা ব্যাকটেরিয়া জনিত ইনফেকশনের কারনে দেহে প্রতিরোধক ক্ষমতার বেশি কাজ করতে হয়। এছাড়া যখন কোনো রোগের জন্য অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহন করা হয় তখন একটু বেশিই দেহের যত্ন নেয়া প্রয়োজন হয়। কারণ শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করা হলে তা দেহকে দুর্বল করে দেয়। আঙ্গুর: এখানে কিছু উত্তম খাবারের উল্লেখ করা হলো যা শারীরিক দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করতে পারে- আঙ্গুর আঙ্গুর শরীরের শক্তি যথেষ্ট পরিমান বৃদ্ধি করতে এবং রক্তের পরিমান বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়া এটি দেহের খনিজ পদার্থসহ প্রয়োজনীয় তরল সরবরাহ করে যা অসুস্থতা থেকে দ্রুত সেরে উঠতেও সাহায্য করে। আমলকী: অসুস্থতার পর শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে আমলকীতে থাকা ভিটামিন সি এবং অন্যান্য প্রয়ো...

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহজ উপায় - ঘরোয়া চিকিৎসা | Max Tips Bd

বর্তমানে ডায়াবেটিস খুব প্রচলিত একটি রোগ। নানা কারনে মানব দেহে এই রোগ হতে পারে। যদি মানব দেহ রক্তের সাথে প্রয়োজনের তুলনায় পর্যাপ্ত ইনসুলিন নামক হরমোন সরবরাহ করতে পারে না। তখন রক্তে চিনির পরিমাণ বেড়ে যায়। এটাকেই চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ডায়াবেটিস বলা হয়। প্রাকৃতিক উপায়ে ডায়াবেটিস চিকিৎসা ডায়াবেটিসের ধরনঃ ক,  টাইপ১ (Type 1) ডায়াবেটিস: দেহ ইনসুলিন তৈরির বেটা সেলগুলোকে বাধাগ্রস্থ করে এ ধরনের ডায়াবেটিস হয়।  এটাকে Autoimmune Disorder ও বলা হয়। খ,  টাইপ২ (Type 2) ডায়াবেটিস: দেহে  ইনসুলিন তৈরি ক্ষমতা অফ গেলে  ডায়াবেটিস হয় । গ,  গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিসঃ গর্ভকালীন সময়ে এ ধরনের ডায়াবেটিস হয়। ডায়াবেটিসের লক্ষণগুলো হল- জিহ্বা শুকিয়ে যাওয়া বা অতিরিক্ত পিপাসা লাগা, ওজন কমে যাওয়া, ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, চোখে ঝাপসা দেখা, আহত হলে সহজে আরোগ্য না হওয়া ইত্যাদি। একেবারে ডায়াবেটিস দূর করার কোন উপায় নেই। তবে যদি রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রিত রাখতে পারেন তাহলে আপনি স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবেন। ডায়াবেটিস রোগের ঝুঁকি সমূহঃ নিম্নোক্ত কারণে টাইপ ১ ডা...

লিভার বিষমুক্ত করতে এই ১০টি খাবার প্রয়োজন | Maxtipsbd

লিভার বিষমুক্ত করতে এই ১০টি খাবার প্রয়োজন বেশ কিছু খাবার আছে যেগুলো আমাদের লিভারকে ভালো রাখার জন্র বিস্ময়করভাবে উপকারী। আজ থেকেই সেগুলো নিয়মিত খাওয়া শুরু করুন। আসুন জেনেও নেওয়া যাক এমন ১০টি খাবারের কথা। ১. হলুদ : সোনালি মশলা নামে পরিচিত হলুদ লিভারের সবচেয়ে বেশি উপকার করে। কারণ এই মশলাটি দেহ থেকে খাদ্য বিষ নিঃসরণের কাজ করে যেসব এনজাইম সেসবকে সহায়তা করে। এ কারণেই ভারতীয় উপমহাদেশের রান্নায় সবসময়ই হলুদ ব্যবহার করা হয়। প্রতিদিন এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে এক চা চামচ হলুদ মিশিয়ে পান করুন। ২. লেবু: ভিটামিন সি সমৃদ্ধ লেবু দেহকে বিষাক্ত পদার্থ সংশ্লেষণ করে এমন বস্তুতে রুপান্তরিত করে, যাকে পানি সহজেই শুষে নিতে পারে। আর এ কারণেই সকালে লেবু-জল পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়। কারণ লেবু-পানি লিভারকে কার্যকরভাবে কাজ করতে উদ্দীপনা যোগায়। ৩. আপেল : সকালে একটি আপেল খেলে তা লিভারকে দিনভর টক্সিন বা খাদ্য-বিষ থেকে রক্ষা করে। এতে আছ পেকটিন নামের উপাদান যা হজম নালিকে টক্সিন বা বিষমুক্ত ও পরিষ্কার করতে জরুরি। এছাড়া অন্যান্য টক্সিন থেকেও লিভারকে সুরক্ষা দেয় আপেল। ৪. সবুজ শাক-সবজি : স্পিনাক, করলা, সুবজ ...

লেবুর যত উপকারিতা - Jana Joruri

বর্ষাকাল চলে এসেছে এই বর্ষায় ঠাণ্ডা লাগা, হাঁচি দেওয়া চলতেই থাকবে। ঋতু পরিবর্তনের কারণে জ্বর লেখেই থাকবে ঘরে ঘরে। এই সময় সবচেয়ে উপকারী বন্ধু হিসেবে পাশে পাবেন লেবুকে। জেনে নিন কীভাবে লেবু আপনার উপকার করবে- লেবু - জানা জরুরি  সকালে খালি পেটে মধুর সঙ্গে এক গ্লাস লেবুর রস হালকা  গরম সাথে পানির মিশিয়ে   খান। মেদ-ভুড়ি কমাতে ।     জ্বরে রুচি কমে গেছে? লেবুর রসে লবণ দিয়ে খেয়ে নিন। রুচি ফিরবে।  লেবু চা - দ্রুত সর্দি ভালো হয় | লেবুর খোসা বরং পানিতে ফুটিয়ে নিন ভালো করে। এরপর এই পানি ঠাণ্ডা হলে ব্যবহার করুন গোসলের কাজে। দেখবেন দেহের ত্বকের ঘামাচি, র‍্যাশের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন সহজেই এবং সেই সাথে গায়ের ঘামের দুর্গন্ধও কমে যাবে।   লেবু-মধু যেমন চর্বি দূর করে তেমনি ঠাণ্ডা, কাশিও দূর করতে ভূমিকা রাখে। সেক্ষেত্রে পানি মেশাবেন না। মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে দুই চামচ পরিমাণ করে খেয়ে নেবেন।   সূত্র: বোল্ডস্কাই।   

কলার অবাক করা, কিছু গুনাগুন - মানসিক চাপ কমায় কলা - জানা জরুরি

কলা সবচেয়ে সহজলভ্য ফল, যা সব ঋতুতেই পাওয়া যায়। পৃথিবীর প্রায় ১০৭টি দেশে মেলে স্বাস্থ্যগুণে ভরপুর এই ফলটি। কাঁচা কলা রান্না করে বা ভেজেও খাওয়া যায়। পুষ্টিবিদদের মতে, কলায় রয়েছে- প্রায় ৯০০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম, ২১০ ক্যালোরি, ৫৪ গ্রাম শর্করা, ২ গ্রাম ফাইবার, ২৮ গ্রাম সুগার ও ৬ গ্রাম প্রোটিন। এছাড়া কলায় ২ শতাংশ ভিটামিন এ, ৩৪ শতাংশ ভিটামিন সি, ২ শতাংশ আয়রন, ৪০ শতাংশ ভিটামিন বি-৬, ১৬ শতাংশ ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। আসুন জেনে নিই কলার বিভিন্ন উপকারী গুণের বিষয়ে- ১. কলায় থাকা ট্রিপটোফ্যান নামের এক রকম অ্যামিনো অ্যাসিড সেরোটোনিনে পরিবর্তিত হয়। সেরোটোনিনের সঠিক মাত্রা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে এই উপাদান আমাদের স্নায়ুকে শিথিল করে। এর ফলে ঘুম ভালো হয়। ২. কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় কলা দারুণ উপকারী। কলায় থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে কার্যকরী। ৩. পাকা কলায় থাকে TNF-A নামের এক ধরণের যৌগ, যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি শ্বেত রক্ত কণিকার পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে। এতে ব্লাড ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। ৪. কলায় রয়েছে প্রচুর পটাশিয়াম, যা আমাদের কিডনি সুস্থ রাখতে সাহায্য...

জানেন কি আনারস কত উপকারী?

আনারস একটি অতি সুস্বাদু পুষ্টিকর এবং রসালো ফল। বর্ষাকালীন ফল হলেও এখন প্রায় সারা বছরই পাওয়া যায়। সৌন্দর্যের জন্য কবি একে স্বর্ণকুমারী নামে অভিহিত করেছেন। অসংখ্য গুণে গুনান্বিত এই ফল খেয়ে যেমন শরীরে পানির চাহিদা মেটানো যায় তেমনি বাড়তি পুষ্টিগুণ পেতে জুড়ি এর নেই। দক্ষিণ আমেরিকার এই ফল পুর্তগীজদের মাধ্যমে প্রথম এই অঞ্চলে আসে। বিশ্বে প্রায় ৮০ জাতের আনারস আছে বলে জানা যায়। টিলা বা পাহাড়ী জমি আনারসের জন্য উপযুক্ত। আনারসে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, সি, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং পটাশিয়াম রয়েছে। এ ছাড়া এ ফলটিতে প্রচুর পরিমাণ আঁশ ও ক্যালোরি রয়েছে। এটি কলস্টেরল ও চর্বিমুক্ত। তাই স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ফলের জুড়ি নেই। আসুন এবার জেনে নিই আনারসের উপকারিতা সম্পর্কে- পুষ্টির অভাব দূর করে আনারস পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি ফল। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস। এসব উপাদান আমাদের দেহের পুষ্টির অভাব পূরণে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। হজমশক্তি বৃদ্ধি করে আমাদের হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে বেশ কার্যকর হলো আনারস। এতে রয়েছে ব্রোমেলিন নামক এনজাইম, যা আমাদের হজমশক্তিকে ...

প্রায় ৩০০ রোগের সমাধান ১টি গাছেই!

সজনে গাছ সবার কাছেই খুব পরিচিত। সজনে ডাঁটা, পাতা ও ফুল সবই খাওয়ার উপযোগী। তাছাড়া সজনের আছে নানা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। সজনের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে অনেকেরই অজানা। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক সজনে সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য- > প্রতি গ্রাম সজনে পাতায় একটি কমলার চেয়ে সাত গুণ বেশি ভিটামিন সি, দুধের চেয়ে চার গুণ বেশি ক্যালসিয়াম ও দুই গুণ বেশি প্রোটিন, গাজরের চেয়ে চার গুণ বেশি ভিটামিন এ এবং কলার চেয়ে তিন গুণ বেশি পটাশিয়াম বিদ্যমান। > এতে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে এবং পালংশাকের চেয়ে তিন গুণ বেশি আয়রন বিদ্যমান। যা এ্যানেমিয়া দূরীকরণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। > সজনে শরীরে কোলেস্টেরল এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও অন্যতম অবদান রাখে। > সজনে ফুল ও পাতা শাকের মতো রান্না করে বসন্তকালে খেলে বসন্তের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে অর্থাৎ সজনে বসন্ত রোগের প্রাকৃতিক টিকা। > মানুষের শরীরের প্রায় ২০% প্রোটিন যার গাঠনিক একক হলো এমাইনো এসিড। শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মেটাবোলিজম এবং অন্যান্য শারীরবৃত্ত্বীয় কার্যাবলী পরিপূর্ণরূপে সম্পাদনে এমাইনো এসিড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। যা সজনে...

আমলকি খাওয়ার ২২টি উপকারিতা

আমলকির গুণাবলী পাঠ /পদ্ধতি - ১ আমলকি এমন একটি ফল যার মধ্যে রয়েছে অনেক ভেষজ গুণ। ফল থেকে শুরু করে পাতাও ওষুধরূপে ব্যবহার করা হয়। প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ ভরপুর আমলকি। পুষ্টি বিজ্ঞানীরা বলছেন, আমলকিতে পেয়ারা ও কাগজি লেবুর চেয়ে তিন গুণ ও দশ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। আমলকিতে কমলা লেবুর চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। এই আমলকি বিভিন্ন অসুখ সারানো ছাড়াও রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা গড়ে তুলতে দারুণ সাহায্য করে। আমলকির গুণাগুণের জন্য আয়ুর্বেদিক ওষুধেও এখন আমলকির নির্যাস ব্যবহার করা হচ্ছে। উপকারিতা -- ভিটামিন সি’সমৃদ্ধ আমলকিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে। আমলকি ত্বক, চুল ও চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সাথে জড়িও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। আমলকি হজমে সাহায্য করে ও স্টমাকে আসিডের ব্যালেন্স বজার রাখে। আমলকি লিভার ভালো রাখে, ব্রেনের কার্যকলাপে সাহায্য করে ফলে মেন্টাল ফাংশনিং ভালো হয়। আমলকি ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য কর...

জেনে নিন, ডুমুর ফলের দারুণ সব উপকারিতা! - জানা জরুরি

ডুমুরের গুণাবলী ডুমুর আদিকাল থেকেই ভেষজ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। ডুমুরের পাতা প্রসূতি ঘরে রাখার বিধান আদিকালের। আমাদের দেশে সাধারণত দু’ধরনের ডুমুর দেখা যায়; যথা - কাকডুমুর ও যজ্ঞ ডুমুর। কাকডুমুরের পাতা যজ্ঞডুমুরের পাতা থেকে বড় ও বেশি খসখসে। তাই একে খরপত্রীও বলে। এ ছাড়া রয়েছে বরাডুমুর। জয়া ডুমুর ও কালিফোর্নিয়ান ডুমুর (আঞ্জির নামে পরিচিত) ইত্যাদি। ডুমুর দামে সস্তা, কিন্তু তরকারি খুবই পুষ্টিকর। এ দেশের হিন্দুদের ঘরে এটি খুবই সমাদৃত ও বহুল প্রচলিত তরকারি হলেও স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাবে মুসলমান ঘরে এটি যথার্থ দাম পায় না। তা ছাড়া ডুমুর কুটতে বেশি সময় লাগে বলে আজকের ব্যস্ততার দিনে এটির ব্যবহার কমে যাচ্ছে। কিন্তু সস্তায় এমন টনিক ও স্বাদু খাবার আর নেই। ভেষজগুণেও এটি ভরপুর। কাকডুমুর শ্বেতী রোগের মহৌষধ। চরকের মতে ‘শ্বিত্রে স্নংসনমগ্র্যং মলপুরস ইষ্যতে সগুড় অর্থাৎ শ্বৈতী রোগে প্রধান কাজ হলো এমন কিছু খাওয়া যেন মলপুর (ডুমুর) কাজ সাধন হয়; এর জন্য মলপু ফলের রস ও একটু গুড় খাবে। চক্রদত্তের মতে, এটি কাকডুমুর ভগন্দর ফাটিয়ে দেয়, বিষাক্ত পুঁজ ও রক্তক্ষরণ করিয়ে তা সারিয়ে দেয়। চরক সংহিতায় বর্ণনা আছে যে, ...

ফোনের ক্ষতি থেকে চোখকে বাঁচান

দেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলো চোখ। এই চোখের জন্যই পৃ্থিবীর সুন্দর রূপ দেখতে পাওয়া যায়। হেলায়-ফেলায় চোখ নষ্ট করে ফেলা মানে নিজের বিপদ ডেকে আনা। তাই চোখের যত্নে হতে হবে মনোযোগী। আজকাল অনেক মানুষই ফোনের স্ক্রিনে বেশি সময় দিচ্ছেন। বাসা-বাড়ি থেকে শুরু করে পথে ঘাটে, বাসে, ট্রেনে, লঞ্চে যেদিকে চোখ যাক না কেন শুধু একই দৃশ্য। ফোন নিয়ে যেন সবাই ব্যস্ত। এছাড়া কম্পিউটার তো আছেই। চক্ষু বিশেষজ্ঞদের মতে, ফোন বা কম্পিউটারের পর্দা থেকে বের হওয়া নীল রশ্মির প্রভাবে চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই ক্ষতি দীর্ঘস্থায়ী হয়ে মারাত্মক রূপ নিতে পারে। তবে জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন এনে ঠিক রাখতে পারেন আপনার চোখ। জেনে নিন কিভাবে চোখ ভালো রাখবেন- * দিনে বেশ কয়েকবার চোখে ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিন। বাইরে থেকে এসে অথবা কম্পিউটারে বসে একটানা কাজ করার ফাঁকে চোখে পানির ঝাপটা দিন। তেমনি অনেকক্ষণ মোবাইল ব্যবহার করার পরেও চোখে পানি দিতে পারেন। * বেশিরভাগ অ্যান্ড্রয়েড ফোনে `নাইট মোড` বা `ওয়ার্ম মোড` বলে একটি অপশান থাকে। এই অপশানটি অন করলেই ফোনের স্ক্রিন হলদেটে হয়ে যায়। এর ফলে স্ক্রিন থেকে বের হওয়া ক্ষতিকর নীল রশ্মির পরিমাণ কম থাকে।...

জামের যত পুষ্টিগুণ

অনলাইন ডেস্ক: জাম গ্রীষ্মকালীন ফলগুলোর মধ্যে অন্যতম। পাকা জামের স্বাদ যেমন মধুর, এর উপকারিতাও কিন্তু প্রচুর। বেশ কিছু প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানে পূর্ণ থাকে ফলটি।রোগ প্রতিরোধেও জাম বেশ কার্যকরী। এবার চলুন জেনে নিই পুষ্টি পূরণের পাশাপাশি জাম কেমন করে রোগ প্রতিরোধ করে-  ১. জামে থাকে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ‘সি’। প্রকৃতির এই পরিবর্তনের সময় জ্বর, সর্দি ও কাশির প্রবণতা বাড়ে, জাম এটি দূর করতে কার্যকরী ভূমিক পালন করে।  ২.জামের ভিটামিন ‘এ’ চোখ ভালো রাখতে সাহায্য করে। সঙ্গে স্নায়ুগুলোকে কর্মক্ষম রেখে দৃষ্টিশক্তির প্রখরতা বাড়ায়।  ৩. জামে গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজ রয়েছে, যা মানুষকে কাজ করার শক্তি জোগায় এবং শরীরেও শক্তি সঞ্চিত করে।  ৪. দাঁত, চুল ও ত্বক সুন্দর করতে খেতে পারে জাম।এর উপাদানগুলো ত্বক ও চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। দাঁত ও মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।  ৫. ক্যানসারের জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ার ক্ষমতা আছে জামের। বিশেষ করে মুখের ক্যানসার প্রতিরোধে এটি অত্যন্ত কার্যকর।  ৬.জামে থাকা ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম ও ভিটামিনগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দিতে পারে। ...

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

চুল পড়া কমাতে পেয়ারা পাতার জাদু

চুল পড়া নাকি স্বাভাবিক একটি ব্যাপার, এমনটাই বিশেষজ্ঞদের মত। তবে তা দিনে ১০০ টা পর্যন্ত। এর চেয়ে বেশিও হলে তা চিন্তার বিষয়। ঘন ঘন এমন চুল ওঠার ফলে চুলের গোছা পাতলা হয়ে যায়। মাথার তালুতে জায়গায় জায়গায় ফাঁকা হয়ে যেতে থাকে। অবহেলা এবং অযত্নের এমনটা হয়ে থাকে। এছাড়াও দূষণ, খাবারের সমস্যা, ঘুম কম হওয়া, দুশ্চিন্তা তো নিত্যদিনের সঙ্গী। এসব কারণেই মূলত অতিরিক্ত চুল পড়ার সমস্যা হয়ে থাকে। চুল ঝরে যাওয়া আসলে একেবারে প্রাকৃতিক একটি প্রক্রিয়া। চুল ঝরে যাবে এবং আবার নতুন চুল গজাবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে অনেকেরই চুল খুব বেশি ঝরে যাচ্ছে। চুল পড়া কমাতে নিয়মিত চুলে তেল ব্যবহার করুন। সেই সঙ্গে ঘরোয়া একটি প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। এতে চুল পড়া বন্ধের পাশাপাশি চুল সুন্দর ও মসৃণ হতে সহায়তা করবে। চুল পড়া বন্ধে পেয়ারা পাতার কার্যকারিতার কথা আমরা সবাই কমবেশি জানি। এটি চুল পড়া বন্ধে খুবই কার্যকরী। তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক কীভাবে ব্যবহার করবেন পেয়ারা পাতা- যা যা লাগবে: এক মুঠো পেয়ারা পাতা, পানি এক লিটার। একটি পাত্রে পানি জ্বাল দিতে দিন। পানি ফুটে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। ফুটে এলে এতে পেয়ারা পাতা দিয়ে দিন। পেয়ারা পাত...

প্রেমের ফাঁ’দে ফে’লে ১০০ নারীর ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল

অনলাইনে নিজেকে সরকারি কর্মকর্তা পরিচয়ে মেয়েদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতেন। একপর্যায়ে নানা ছলনায় ভুলিয়ে তাদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে ভিডিও ধারণ করতেন।  এরপর আপত্তিকর সেসব ছবি পরিবারের কাছে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করেন। এভাবে গত ৮ বছরে প্রায় শতাধিক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ব্ল্যাকমেইল করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়েছেন বরিশালের বেলাল হোসেন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় বেলালকে গ্রেফতারের পর পুলিশ বলছে, চল্লিশোর্ধ্ব নারীদের টার্গেট করতেন বেলাল। বেলালের ফোনে পাওয়া গেছে ৮ হাজার আপত্তিকর ছবির সন্ধান। তার এই প্রতারণা থেকে বাদ যায়নি তার স্বজনরাও। মাস তিনেক আগে রাজধানীর যাত্রাবাড়ির এক নারীর সঙ্গে বরিশালের বেলাল হোসেনের ফেসবুকে পরিচয় হয়। বিয়ের প্রলোভনে ওই নারীর গো’পন ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী নারী। পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গোয়েন্দা মতিঝিল বিভাগ উপকমিশনার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে আমরা সত্যতা পেয়েছি। তার মোবাইলে এবং ইমো, ওয়াটসঅ্যাপে বিভিন্ন আপত্তিকর ছবি পেয়েছি। গত আট বছরে শতাধিক নারীর সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। বেলাল মধ্যবয়সী নার...

আইএফআইসি ব্যাংকে অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি

আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেডে ‘ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার (টিএও)’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেlন। প্রতিষ্ঠানের নাম: আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড পদের নাম: ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার (টিএও) পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয় শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক। তৃতীয় শ্রেণি/বিভাগ গ্রহণযোগ্য নয় অভিজ্ঞতা: প্রযোজ্য নয় দক্ষতা: ব্যবস্থাপনা ও যোগাযোগে দক্ষ হতে হবে বেতন: ২৮,৩৭০-৩৫,৯৯০ টাকা চাকরির ধরন: অস্থায়ী প্রবেশনকাল: ০১ বছর প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ বয়স: ১০ জুলাই ২০২১ তারিখে ৩০ বছর কর্মস্থল: যেকোনো স্থান আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা www.career.ificbankbd.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের শেষ সময়: ১০ জুলাই ২০২১