দেশের আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির সাতটি o গাড়ি নিলামে তোলা হচ্ছে। ইভ্যালির ব্যবস্থাপনায় হাইকোর্ট গঠিত বোর্ডের সদস্য ও প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাহবুব কবীর আজ বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নিলাম আহ্বান করেছেন। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি গাড়িগুলোর নিলাম হবে। নিলাম বিজ্ঞপ্তিতে দেখা গেছে, ইভ্যালির মালিকানাধীন একটি রেঞ্জ রোভার, একটি টয়োটা প্রিউস, একটি টয়োটা সি এইচ আর, দুটি টয়োটা এক্সিও, একটি হোন্ডা ভেজেল ও একটি টয়োটা মাইক্রোবাস আপাতত নিলামে তোলা হয়েছে। এসব গাড়ির ন্যূনতম নিলাম মূল্যও উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। ২০২০ সালে তৈরি রেঞ্জ রোভারের ন্যূনতম নিলাম মূল্য এক কোটি ৬০ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া টয়োটা প্রিউসের ন্যূনতম দর ১৩ লাখ ৫০ হাজার, টয়োটা সিএইচআর দর ১৮ লাখ, টয়োটা এক্সিওর প্রতিটির দর ৯ লাখ ১৮ হাজার, হোন্ডা ভেজেলের দর ১৬ লাখ ও টয়োটা মাইক্রোবাসের ন্যূনতম দর ১২ লাখ টাকা ধরা হয়েছে। আগ্রহী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ধানমন্ডির উইন্সকোর্ট অফিস থেকে এ নিলামের নিবন্ধন কার্ড নিতে পারবেন। ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নিলামের দরপত্র জমা দেওয়া যাবে। ৫ ...
![]() |
| ফুসফুস-ক্যান্সার |
ক্যান্সারজনিত মৃত্যুর প্রতি পাঁচটির ভিতরে একটি হচ্ছে ফুসফুসের ক্যান্সার। মধ্য বয়স্ক ও বয়স্কদের এ রোগের হার সবচেয়ে বেশি। প্রতি ১০০ ক্যান্সার রোগীর মধ্যে শতকরা ৮৭ জনের দীর্ঘদিন ধরে এবং অধিক হারে ধূমপানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে? যে ব্যক্তি প্রতিদিন ২০টি সিগারেট বা বিড়ি সেবন করে তার ফুসফুসের ক্যান্সার হওয়ার প্রবণতা অধূমপায়ীদের থেকে ২০ গুণ বেশি। পরোক্ষ ধূমপানের প্রভাবেও রোগ হতে পারে।
ক্যান্সার আক্রান্ত মৃত্যুর মধ্যে শতকরা ৫০ ভাগ মৃত্যু ফুসফুসের ক্যান্সারজনিত কারণে। সুতরাং কেবলমাত্র তামাকের ব্যবহার ছেড়ে দিলেই এ রোগ প্রতিরোধ করা যায়। তামাকের ধোঁয়া শ্বাসনালির অভ্যন্তরীণ দেয়ালের ক্ষত সৃষ্টি করে যার ফলে কোষের আকৃতির অস্বাভাবিক পরিবর্তন ঘটে।
এ পরিবর্তন পরবর্তীকালে ক্যান্সারে রূপান্তরিত হয়। সিগারেট বা বিড়ির ধোঁয়ায় ক্যান্সার সৃষ্টির অনেক রাসায়নিক উপাদান বিদ্যমান। তাছাড়া আর্সেনিক, রঞ্জন রশ্মি বিকিরণ, এসবেস্টস, ক্রোমিয়াম যৌগ, আলকাতরা জাতীয় সামগ্রী, ভিনাইল ক্লোরাইড, ইউরেনিয়ামের সংস্পর্শে থাকা ব্যক্তিদের ফুসফুসের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি অধিক। রোগের লক্ষণগুলো হচ্ছে সহজে সারছে না এমন কাশি, বুক ব্যথা, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, ওজন কমে যাওয়া। যখন ফুসফুসের ক্যান্সার অন্য স্থানে ছড়িয়ে যায় যেমন অস্থিতে ছড়িয়ে গেলে প্রচণ্ড ব্যথা, হাড় ভেঙে যাওয়া, ব্রেইনে ছড়িয়ে গেলে মাথা ব্যথা ও বমি হওয়া, তার সঙ্গে খিঁচুনি হতে পারে।
লিভার বা যকৃতে ছড়িয়ে গেলে ব্যথা ও জন্ডিসে আক্রান্ত হয়। রোগ নির্ণয়ের জন্য ধূমপানসহ রোগীর সঠিক ইতিহাস ও শারীরিক পরীক্ষা, বুকের এক্স-রে, সিটি স্ক্যান, কফ পরীক্ষা (ক্যান্সার কোষ), ব্রংকোসকপি ও বায়োপসি, এফ এন এসি, এফ এন এবি এবং প্রয়োজনে এম আর আই এর মাধ্যমে রোগের বিস্তৃতি শনাক্ত করা হয়।
তাছাড়া বর্তমানে পেট সিটি স্ক্যানের মাধ্যমেও রোগের স্টেজ নির্ণয় করা হয়। ফুসফুস ক্যান্সার চিকিৎসা নির্ভর করে ক্যান্সারের আকার, ব্যাপ্তি ও হিস্টোপ্যাথলজি রিপোর্টের ওপর। মূল চিকিৎসা পদ্ধতিগুলো সার্জারি, রেডিওথেরাপি, কেমো-থেরাপি, ইমিউনোথেরাপি ও টার্গেট থেরাপি
সার্জারি করা হয় যখন ক্যান্সার উৎপত্তিস্থলে সীমাবদ্ধ থাকে এবং অধিকাংশ ক্যান্সারের ক্ষেত্রে প্রাথমিক অবস্থায় মূল চিকিৎসায় সম্পূর্ণ নিরাময়ের সম্ভাবনা অধিক। রেডিয়েশন থেরাপি/বিকিরণ চিকিৎসার মূল ভিত্তি ক্যান্সার আক্রান্ত কোষের ধ্বংস বা ক্ষতি সাধন করা কিন্তু নিকটবর্তী স্বাভাবিক কোষের যেন ক্ষতি না হয় তাই আধুনিক রেডিওথেরাপির সুফল। রেডিয়েশন চিকিৎসা একাকীও ব্যবহৃত হয় আবার কখনো সার্জারির পর সহায়ক হিসেবে দেওয়া হয়ে থাকে। কখনো উপসর্গ যেমন ব্যথা ও টিউমার বৃদ্ধি কমানোর জন্য ও রেডিওথেরাপি পেলিয়াটিভ হিসেবে কাজ করে। যখন সব ক্যান্সার কোষ সার্জারির মাধ্যমে অপসারণ করা যায় না তখন সার্জারির পর একটা নির্দিষ্ট সময়ে রেডিওথেরাপি দেওয়া হয়। রেডিওথেরাপি যখন শরীরের বাইর থেকে প্রয়োগ করা হয় তখন বলা হয় ঊীঃবৎহধষ নবধস রেডিওথেরাপি। তবে প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসা পেলে ক্যান্সারের সম্পূর্ণ নিরাময়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল। তাই এসব বিষয়ে আমাদের আরও সচেতন ও যত্নবান হতে হবে।
সার্জারি করা হয় যখন ক্যান্সার উৎপত্তিস্থলে সীমাবদ্ধ থাকে এবং অধিকাংশ ক্যান্সারের ক্ষেত্রে প্রাথমিক অবস্থায় মূল চিকিৎসায় সম্পূর্ণ নিরাময়ের সম্ভাবনা অধিক। রেডিয়েশন থেরাপি/বিকিরণ চিকিৎসার মূল ভিত্তি ক্যান্সার আক্রান্ত কোষের ধ্বংস বা ক্ষতি সাধন করা কিন্তু নিকটবর্তী স্বাভাবিক কোষের যেন ক্ষতি না হয় তাই আধুনিক রেডিওথেরাপির সুফল। রেডিয়েশন চিকিৎসা একাকীও ব্যবহৃত হয় আবার কখনো সার্জারির পর সহায়ক হিসেবে দেওয়া হয়ে থাকে। কখনো উপসর্গ যেমন ব্যথা ও টিউমার বৃদ্ধি কমানোর জন্য ও রেডিওথেরাপি পেলিয়াটিভ হিসেবে কাজ করে। যখন সব ক্যান্সার কোষ সার্জারির মাধ্যমে অপসারণ করা যায় না তখন সার্জারির পর একটা নির্দিষ্ট সময়ে রেডিওথেরাপি দেওয়া হয়। রেডিওথেরাপি যখন শরীরের বাইর থেকে প্রয়োগ করা হয় তখন বলা হয় ঊীঃবৎহধষ নবধস রেডিওথেরাপি। তবে প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসা পেলে ক্যান্সারের সম্পূর্ণ নিরাময়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল। তাই এসব বিষয়ে আমাদের আরও সচেতন ও যত্নবান হতে হবে।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন