উইনস্টোন ব্ল্যাকমোর। কানাডার অন্যতম পরিচিত ব্যক্তি তিনি। ৬৪ বছরের এই ব্যক্তির স্ত্রীর সংখ্যা ২৭। তার ছেলে-মেয়ে রয়েছে ১৫০টি। সম্প্রতি মার্লিন ব্ল্যাকমোর নামে ওই পরিবারের ১৯ বয়সী এক সদস্য সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্টের মাধ্যমে বিশাল এই পরিবারের কথা শেয়ার করেন।
সংবাদমাধ্যম দ্যা সান জানান, কারও জন্মদিনে কীভাবে উৎসব হয় তাদের বাড়িতে, বা এতো সংখ্যক ভাই-বোনের সঙ্গে স্কুলে যাওয়ার অভিজ্ঞতা নজর কেড়েছে স্থানীয়দের। ওই ভিডিওতে মার্লিন জানিয়েছেন, ১৫০ জন ভাই-বোনের মধ্যে সবচেয়ে বড়জনের বয়স ৪৪ বছর।
সবচেয়ে ছোটজনের বয়স ১ বছর। প্রত্যেকে তাদের গর্ভধারিণী মাকে ‘মাম’ বলে ডাকেন। বাকি সৎ মায়েদের ডাকেন ‘মাদার’ বলে। দুই ভিন্ন মায়ের সন্তান। কিন্তু তাদের জন্ম একই দিনে- তাদের বাড়িতে এ রকম উদাহরণও রয়েছে।
মার্লিন আরও জানান, ভাই-বোনেরা একই স্কুলে পড়ে। সেই স্কুলের মালিক তার বাবা উইনস্টোন। অস্বাভাবিক বড় পরিবারে নিজের ভাই-বোনদের সামলাতে সামলাতে বাইরের কারও সঙ্গে তাদের সেভাবে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে না।
১৭৮ সদস্যের এই পরিবারের কোন সদস্য আলাদা থাকেন না। সকলেই একই বাড়িতে থাকেন। তাদের সেই বাড়ির নাম মোটেল হাউস। এতজনের জন্য বাজার থেকে জিনিস কেনাও কতটা সমস্যার তাও তারা হাড়ে হাড়ে টের পান। সেজন্যই তাদের বাড়ির মধ্যেই হয় শাকসবজির চাষ।
টিকা নিরাপদ, অযথা ভয় পাবেন না : মোদি
ব্যাপক উৎপাদন সত্ত্বেও করোনা ভ্যাকসিন নিতে অনাগ্রহী বেশিরভাগ ভারতীয় নাগরিক। তাই কিছুটা বাধ্য হয়েই জনগণকে ভ্যাকসিন নেয়ার জন্য উৎসাহ দিতে হচ্ছে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। খবর- আনন্দবাজার।
শনিবার (২৩ জানুয়ারি) এক ভিডিওবার্তায় মোদি বলেন, বিজ্ঞানীদের সবুজ সঙ্কেত পাওয়ার পরেই ভ্যাকসিন বাজারে ছাড়া হয়েছে। তাই অযথা ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে এদিনও ভ্যাকসিন নেয়ার পরে মৃ”ত্যু’র ঘটনার খবর জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে কোনো কথা বলেনি দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
গত ১৬ জানুয়ারি থেকে ভারতে শুরু হয় করোনার টিকাদান কর্মসূচি। প্রতিদিন তিন লাখ মানুষকে টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও একদিনও তা পূরণ হয়নি। গত সাত দিনে প্রতিষেধক নিলেন মোট ২১ লাখ লোকের টিকা নেয়ার কথা থাকলেও নিয়েছেন মাত্র ১২ লাখ ৭২ হাজার ৯৭ জন।
ভ্যাকসিন নেয়ার পর শনিবার ২৬৭ জনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার খবর জানা গেছে। শোনা গেছে মৃ”ত্যু’র কথাও। গত শনিবার গুরুগ্রামে ৫৬ বছর বয়সী এক ব্যক্তি কোভিশিল্ড প্রতিষেধক নিয়েছিলেন। আজ সকালে ঘুমের মধ্যে তিনি মা’রা যান।
তার মৃ”ত্যু’র সঙ্গে প্রতিষেধকের যোগ আছে কি না, ময়’নাতদ’ন্তের আগে সে বিষয়ে কথা বলতে নারাজ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা। তবে এই ঘটনার বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
ভারতে প্রথম দফায় ব্যবহৃত হচ্ছে কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিন নামে দুটি ভ্যাকসিন। এদের মধ্যে দেশটিতে তৈরি কোভ্যাক্সিন পরীক্ষামূলক প্রয়োগের তিনটি ধাপ শেষ হওয়ার আগেই ছাড়পত্র পেয়ে যায়। ফলে এর কার্যকারিতা নিয়ে সংশয় দেখা দেয়। বহু চিকিৎসক কোভ্যাক্সিন নিতে আপত্তি জানানোর কারণে গণটিকাদানের উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন